সংগৃহীত
ঢালিউডে প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ার চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমার। নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে, ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজুর ‘এ জীবন তোমার আমার’ দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় এই চিত্রনায়িকার। আর প্রথম সিনেমা দিয়েই ‘রোমান্টিক নায়িকা’ হিসেবে দেশজুড়ে খ্যাতি কুড়িয়েছেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা। তবে এবার সেই পরিচিতির বাইরে গিয়ে একেবারে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন পূর্ণিমা।
গেল ১১ জুলাই ছিল পূর্ণিমার জন্মদিন। এ উপলক্ষে চ্যানেল আইয়ের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান তিনি। তার ভাষ্য, দীর্ঘদিনের ইচ্ছা খলনায়িকা বা নেতিবাচক কোনো চরিত্রে অভিনয় করা। তিনি এমন একটি চরিত্রে নিজেকে দেখতে চান, যেখানে দর্শক তাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবে। এমনকি চরিত্রটি দেখে দর্শকের মনে যেন রাগ, বিরক্তি বা তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এমন চ্যালেঞ্জিং ভূমিকায় অভিনয় করতে আগ্রহী এই চিত্রনায়িকা।
পূর্ণিমার মতে, তার চেহারা ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কোমলতার একটি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এ কারণেই নির্মাতারা তাকে কখনো নেতিবাচক চরিত্রের জন্য ভাবেননি। বছরের পর বছর ধরে দর্শক তাকে রোম্যান্টিক নায়িকার ভূমিকাতেই বেশি দেখেছে। তবে একজন শিল্পীর জন্য একই ধরনের চরিত্রে আটকে না থেকে নতুন কিছু করার সুযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন পূর্ণিমা। সিনেমায় তার অভিনীত বেশ কিছু চরিত্র এখনো দর্শকের মনে জায়গা করে আছে। তবে খল চরিত্র বা ডার্ক শেডের কোনো ভূমিকায় তাকে এখনো দেখা যায়নি। আর সেই অপূর্ণতাই এবার পূরণ করতে চান এই অভিনেত্রী। পূর্ণিমার এই নতুন ইচ্ছা ভক্তদের মধ্যেও তৈরি করেছে আগ্রহ।
এদিকে, গেল কয়েক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত পূর্ণিমা। মাঝে মাঝে টেলিভিশনের পর্দায় সঞ্চালক কিংবা রিয়েলিটি শো’র বিচারক হিসেবে পাওয়া গেলেও, অভিনেত্রী হিসেবে তিনি অনেকটাই আড়ালে। সবশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।এর আগে, ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে ওটিটি মাধ্যমে নাম লেখালেও, এরপর আর এই প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়নি পূর্ণিমাকে।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




