প্রতীকী ছবি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলাজুড়ে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুতের চরম ভেলকিবাজি ও অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিং। একদিকে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, অন্যদিকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নামমাত্র কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়ার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দিনের তীব্র গরম আর রাতের অসহ্য গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
অতিরিক্ত গরমের এই সময়ে দিনে কিংবা রাতে সব মিলিয়ে মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলাবাসী। যখন-তখন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার খেলায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে গেছে।
বর্তমান সময় পড়াশোনা থেকে শুরু করে সবকিছুই তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় এবং মোবাইল ফোন ঠিকমতো চার্জ দিতে না পারায় স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মারাত্মক সমস্যায় পড়ছেন।
বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের অন্যতম বাহন ব্যাটারিচালিত মিশুক ও অটোরিকশাগুলো সময়মতো চার্জ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্থানীয় অর্থনীতি ও খেটে খাওয়া মানুষের দৈনন্দিন আয়-রোজগারেও বড় ধরনের ধাক্কা লাগছে।
এলাকার সচেতন নাগরিক ও যুবসমাজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমান এই ডিজিটাল যুগে আমাদের চেয়ে অনেক নিম্ন আয়ের ও ছোট দেশগুলো প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে গেলেও আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার এই বেহাল দশা যেন হাজার বছর পেছনে পড়ে থাকার শামিল।
তীব্র গরমের এই সংকটময় মুহূর্তে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের এই স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জগন্নাথপুরবাসী।
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম আজাদ বলেন, লোডশেডিং বেড়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কতৃর্পক্ষকে বারবার বিষয়টি অবহিত করে আসছি।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




