ছবি:সংগৃহীত
বাংলা লোকসংগীতের জনপ্রিয় গান ‘আমি বন্দি কারাগারে’ গেয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক মুজিব পরদেশী এবার বাস্তবেই কারাগারে। ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত এই শিল্পীকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার (চেকের বিপরীতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকা) মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত লোকসংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ মুজিব পরদেশীকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শুনানির সময় তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে ইদ্রিস আলী বিশ্বাস মাগুরার আদালতে মুজিব পরদেশীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার বিচার শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ মুহাম্মদ আনোয়ার ছাদাত তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক থাকায় আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হলে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মুজিব পরদেশীর প্রকৃত নাম মুজিবুর রহমান মোল্লা। আশির দশকে **‘আমি বন্দি কারাগারে’**সহ অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগান গেয়ে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন।
১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার (চেকের বিপরীতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকা) মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত লোকসংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ মুজিব পরদেশীকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শুনানির সময় তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে ইদ্রিস আলী বিশ্বাস মাগুরার আদালতে মুজিব পরদেশীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার বিচার শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ মুহাম্মদ আনোয়ার ছাদাত তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক থাকায় আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হলে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মুজিব পরদেশীর প্রকৃত নাম মুজিবুর রহমান মোল্লা। আশির দশকে **‘আমি বন্দি কারাগারে’**সহ অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগান গেয়ে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




