অন্য সিটির তুলনায় সিলেট অনেক পরিচ্ছন্ন- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৩ AM

সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রশংসা , দেশে প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট হচ্ছে সিলেটে

অন্য সিটির তুলনায় সিলেট অনেক পরিচ্ছন্ন- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬/০৮/২০২৬ ০৯:৫৫:০৪ PM

অন্য সিটির তুলনায় সিলেট অনেক পরিচ্ছন্ন- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ছবি:সংগৃহীত


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে দক্ষিণ সুরমার লালমাটিয়ায় সিসিকের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সিসিকের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) ঘুরে দেখেন এবং দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

তিনি বলেন, ‘সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি। অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে সিসিক যেভাবে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খাল পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে সিসিক অন্য অনেক সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা করছি।’

দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট সিলেটে

সিসিকের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিলেটে দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই প্ল্যান্ট চালু হলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বর্জ্য থেকে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বৃত্তাকার অর্থনীতি (সার্কুলার ইকোনমি) গড়ে তুলতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বায়োড্রায়িং প্রযুক্তিতে অণুজীবের প্রাকৃতিক বিপাকীয় তাপ এবং নিয়ন্ত্রিত বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে গৃহস্থালি বর্জ্য, স্যুয়ারেজ স্লাজ ও কৃষিজ বর্জ্যের অতিরিক্ত আর্দ্রতা দ্রুত অপসারণ করা হয়। এর ফলে বর্জ্য উচ্চ তাপমাত্রাসম্পন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরের উপযোগী হয়ে ওঠে, যা বাংলাদেশের মতো উচ্চ আর্দ্রতাযুক্ত বর্জ্যের জন্য অত্যন্ত কার্যকর প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচিত।

এ সময় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন প্রতিমন্ত্রীর কাছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম, সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এবং বায়োড্রায়িং প্ল্যান্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরামর্শক মো. শাহীন আহমেদ খান, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ