সংগৃহিত
আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সিলেটের জৈন্তাপুরে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভা শেষে উপজেলার ২১টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে সিসি ক্যামেরা ও অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনন্দা রায়। উপজেলা পরিষদের সিএ তাপস দাস সভা সঞ্চালনা করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে দুর্গোৎসব উদযাপনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যানজট নিরসন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় বক্তব্য দেন জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আল আমিন, নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান করিম, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম সরওয়ার বেলাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা যাদব বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র দেব।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিবারন চন্দ্র দাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ফ্রন্টের সভাপতি প্রদীপ শর্মা, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক শংকর দাস, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জয়মতি রানী, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আব্দুল হালিম, বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার মো. আলাউদ্দিন, আনসার-ভিডিপির কমান্ডার মাসুক মিয়া, আবাসিক প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ও ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ জগদীশ চন্দ্র দেবনাথ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন কান্তি রায়, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আজিজুল হক খোকন, ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় উপজেলার ২১টি পূজামণ্ডপের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে সিসি ক্যামেরা ও অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ




