সংগৃহীত
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটের দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তিব্বতের নাগচু শহরের জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর ছিল। অন্য ২১ জন সামান্য আহত হয়েছেন।চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম শিনহুয়া জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উপকেন্দ্রের কাছের একটি গ্রামের অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।
সবচেয়ে কাছের কয়েকটি গ্রামের কিছু বাড়ির দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে।২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীনে আঘাত হানা এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতের উত্তরাঞ্চলে নাগচু শহরের জনবিরল একটি উচ্চভূমির জেলায় ভূমিকম্পটির উৎপত্তি। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর উপকেন্দ্র।উপকেন্দ্রের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে এলাকার গড় উচ্চতা প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে উপকেন্দ্রটির দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, ভূমিকম্পের সময় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসছেন। কেউ কেউ রাস্তায় পার্ক করা গাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। এক বাসিন্দা জানান, শক্তিশালী কম্পনে তাঁর ঘুম ভেঙে যায় এবং কাঁপুনির সময় বাড়ি থেকে শব্দ শুনতে পান।চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্র জানিয়েছে, স্থানীয় এলাকায় কম্পনটি স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থানীয় দমকল ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
ভূমিকম্পের পর আশপাশের এলাকায় ৩ থেকে ৪ মাত্রার আরও কয়েকটি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।এর আগে ২০১০ সালে চীনের পার্শ্ববর্তী ছিংহাই প্রদেশের ইউশু এলাকায় ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২ হাজার ৬৯৮ জন নিহত হয়েছিলেন। সে ঘটনায় প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ ছিলেন।সূত্র: রয়টার্স
জৈন্তাবার্তা/ সুলতানা




