সিলেটে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক-শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

বিধিমালার গেজেট প্রকাশ

সিলেটে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক-শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১/১১/২০২৬ ১১:১০:৩৪ অপরাহ্ন

সিলেটে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক-শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল

ছবি:সংগৃহীত


দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের পর ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক চলাচলের আইনি স্বীকৃতি দিয়ে ‘বিধিমালা-২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশ করায় সিলেটে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক ঐক্যজোট।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে আনন্দ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এতে সিলেটের হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের মালিক-শ্রমিক অংশ নেন।

মিছিল শুরুর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এবং শেষে কোর্ট পয়েন্টে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উভয় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন। সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সদস্যসচিব মাশরুখ জলিল।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাছান ও সদস্যসচিব বুরহান উদ্দিন ভান্ডারী।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন ঐক্যজোটের যুগ্ম সদস্যসচিব রায়হান আহমেদ, আবদুল জলিল, ধানিছ মিয়া, রাজু কান্তি দাশ, আজিজ আহমেদ, সবুজ আহমেদ, মর্তুজা আলী, তাহের হোসেন, জুবায়ের আহমেদ, খায়রুল ইসলাম, আজিবর রহমান ও তাজুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম, হাজার হাজার শ্রমিকের জেল-জুলুম, নির্যাতন ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে এই বিধিমালা। ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক খাতের সঙ্গে সরাসরি প্রায় ৫০ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান তাঁরা। একই সঙ্গে বিধিমালাটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর করতে কয়েকটি ধারা ও উপধারা সংশোধনের মাধ্যমে আরও শ্রমিকবান্ধব করার দাবি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন বলেন, ‘বিধিমালা-২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশের মধ্য দিয়ে দেশের মেহনতি অটোরিকশা শ্রমিকদের ঐতিহাসিক বিজয় সূচিত হয়েছে। এখন দ্রুত রুট পারমিট ও লাইসেন্স প্রদান করে এ খাতকে সুশৃঙ্খল করতে হবে। ব্যাটারিচালিত রিকশার লাইসেন্স সিটি করপোরেশনের পরিবর্তে বিআরটিএর মাধ্যমে দেওয়া হলে তা শ্রমিকদের জন্য অধিক সুবিধাজনক হবে।

তিনি আরও বলেন, ঘোষিত বিধিমালাকে আরও শ্রমিকবান্ধব ও পরিমার্জিত করার দাবিতে আগামী ৯ নভেম্বর (সোমবার) সিলেটের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হবে।


জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ