ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি-আওয়ামী লীগ-জাতীয়পার্টি সহ আমরা অনেকে অনেক দল করি, এটা অন্যায় কিছু নয়। কিন্তু যারা বোমা মেরে মুসলমান বানাতে চায়, পাকিস্তান বানাতে চায়— তাদের সাথে আমরা কোন আপস করবো না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পার্বতীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, পার্বতীপুর কামরুপ দলং রাস্তার ৬০ মিটার গা্র্ডার ব্রীজের উদ্বোধন, সদরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন, সদরপুর-পার্বতীপুর-কমরুপদলং রাস্তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, আস্তমা গ্রামের ৫০০ মিটার রাস্তার উদ্বোধন, চূড়খাই-বেতকোনা সড়কের পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন, দামোদরতপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে আলমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যারা অবরোধ দেয়, তারা তো না খেয়ে থাকে না, মানুষের গলায় কাছি লাগাইয়া ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়। এদের সাথে আপস করলে লাখো লাখো শহীদদের প্রতি অপমান করা হবে। অন্যদের সাথে আমরা কথা বলতে রাজী আছি। যে যে দলই করি না কেন, আমাদের সকলকে দেশের ও এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করতে হবে। জ্বালাও-পোড়াও করে দেশ ধ্বংস করার অধিকার কারও নেই। আমাদের উন্নয়ন দরকার সেজন্য লাগবে সরকার।
অনেক কাজ বাকী রয়েছে উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, সুনামগঞ্জে রেল আসবে। পর্যটকদের টাঙ্গুয়া যাওয়ার সুবিধার্থে বিমানবন্দরও হবে। পর্যটকরা এলে স্থানীয় মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে। জেলা প্রশাসকে বলেছি বিমানবন্দরের জন্য উপযুক্ত জায়গা খুঁজে বের করার জন্য। সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪০ ফুট প্রশস্ত হবে। একসাথে সড়কে ৪টি গাড়ি চলতে পারবে। জগন্নাথপুরের সড়কও প্রশস্ত হবে। দু্ইটা মাস অপেক্ষা করুন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আবারও নির্বাচিত হলে উনার সহকারী হিসেবে আমি আবারও আপনাদের মাঝে আসতে পারি। আপনাদের দোয়া-মহব্বতে ইনশাল্লাহ অসম্পূর্ণ সকল কাজ অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে।
আমি উপযুক্ত হলে আপনারা বিবেচনা করবেন, উল্লেখ করে তিনি বলেন, নেত্রী আমাকে নমিনেশন দেয়ার জন্য বললে- নৌকা নিয়ে আমি আপনাদের মাঝে আসবো। আমাকে উপযুক্ত মনে করলে বিবেচনা করবেন। গত ২০ বছর ধরে এলাকার উন্নয়নে কাজ করছি। আল্লাহ সাক্ষী আমি নয়া কোন সম্পত্তি জোগাড় করিনি। ডুংরিংয়ার নিজের ভিটা সরকারকে বিনা পয়সায় দিয়ে স্কুল বানাইছি। বাবার নামে আরও দেড় কিয়ার জায়গা ছিল সেখানে টেকনিক্যাল স্কুল হবে। এতিম ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করবে সেখানে।
এম সি




