হবিগঞ্জে ৮ চেয়ারম্যানসহ ২৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জে ৮ চেয়ারম্যানসহ ২৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩১/০৫/২০২৪ ১০:২৫:৪০ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জে ৮ চেয়ারম্যানসহ ২৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ছবি: সংগৃহীত


হবিগঞ্জের ৩টি উপজেলায় তৃতীয় ধাপে বিএনপির বহিস্কৃত নেতাসহ ৮ চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আরও ১৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। মোট ২৩ জন প্রার্থী জামানত হারান।

নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষন করে এসব তথ্য জানা যায়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান জানান, নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী একেকটি পদে কাস্টিং ভোটের ১৫ শতাংশ বা তার কম যে প্রার্থীই ভোট পাবেন তারই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

ফলাফল পর্যালোচনা করে জানা যায়, সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। জামানত ফেরত পাওয়ার জন্য প্রর্থীদের ১৪ হাজার ৬৫ ভোটের অধিক পাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু কাঙ্খিত ভোট পাননি ৪ জন। তাদের মধ্যে বহিস্কৃত জেলা বিএনপি নেতা মো. মহিবুল ইসলাম শাহীন পান ১০ হাজার ২১৭ ভোট, প্রবাসী কমিউনিটি নেতা চৌধুরী নিয়াজ মাহমুদ ৪ হাজার ৫০৫, মো. ওয়াসিম উদ্দিন ৩ হাজার ৪৫৬ ও কণ্ঠ শিল্পী সৈয়দ আশিকুর রহমান ২ হাজার ৮২২ ভোট পান। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯৩ হাজার ৭২১ ভোট পড়ে। জামানত ফেরতের জন্য পাওয়ার প্রয়োজন ১৪ হাজার ৫৯ ভোটের অধিক। অথচ এ পদে জাপা প্রার্থী কাজল আহমেদ পান ৫ হাজার ৮৯২, কাজী মৌলানা আব্দুল কাইয়ূম ৫ হাজার ৯৮৮, মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান ২ হাজার ৯১৮, মো. নূরুল হক টিপু ৫ হাজার ৮৫৩, মো. মামুন মিয়া ৪ হাজার ৪২৮, মো. সারোয়ার হোসেন ৭ হাজার ৪১৮, মো. সোহাগ চৌধুরী ৮ হাজার ৮৬৯, সালেহ আহমদ চৌধুরী ৪ হাজার ৫২৯ ভোট পান। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৭৪৫টি। জামানত ফেরত পাওয়ার জন্য ১৪ হাজার ৬২ ভোটের অধিক পাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ফেরদৌস আরা বেগম পান ১৩ হাজার ৫৭৮ এবং মোছা. আয়েশা খানম রাণী পান ৬ হাজার ৪৮৪ ভোট।

লাখাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ৭২ হাজার ৫৫১টি। জামানত ফেরতের জন্য পাওয়ার প্রয়োজন ১০ হাজার ৮৮৩টি ভোট। কিন্তু ইকরামুল মজিদ চৌধুরী পান ৭ হাজার ৪৬ এবং আমিরুল ইসলাম আলম পান ৬ হাজার ৯৪৮ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ৭২ হাজার ৪৪৬টি। জামানতের জন্য প্রয়োজন ১০ হাজার ৮৬৭ ভোট। কিন্তু কাউছার আহমেদ পান ৭ হাজার ৯৯৬, মানিক মোহন দাস পান ৫ হাজার ৬১১, মো. আব্দুল মতিন পান ৪ হাজার ৬৯২ এবং হাজী নোমান মোল্লা পান ২ হাজার ৮০০ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ৭২ হাজার ৪৯৭টি। জামানতের জন্য প্রয়োজন ১০ হাজার ৮৭৫ ভোট। কিন্তু তানিয়া আক্তার পান ২ হাজার ২০ ভোট। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট ভোট পড়েছে ২৮ হাজার ১৬৩টি।

জামানতের জন্য প্রয়োজন ৪ হাজার ২২৫ ভোট। কিন্তু মো. সুরুজ আলী পান ৩১১ ভোট এবং রকিব আহম্মেদ পান ২৬৭ ভোট। ৩টি উপজেলায় মোট ১৪ জন চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২২ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, লাখাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এস এইচ টি/



শীর্ষ সংবাদ:

গোয়াইনঘাটে কার্তিকের বৃষ্টির জন্য হাহাকার, ৫১ ধান নিয়ে শ/ঙ্কায় কৃষক
সমাজ উন্নয়নে সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সিসিক প্রশাসক
গোয়ালীছড়া দখলমুক্ত ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করবে সিসিক: প্রশাসক
জগন্নাথপুরে সংঘ/র্ষে আহত ব্যক্তির মৃ/ত্যু, নিহ/ত ২; আট/ক ৪
মজুরি দাবিতে পাঁচ চা বাগানে কর্মবিরতি, মালিকপক্ষের দাবি অর্থসংকট
ভারতীয় নাগরিকের মৃ/ত্যু, তামাবিল দিয়ে ম/রদেহ হস্তান্তর
সিসিককে আধুনিক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে - প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
সিসিককে জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে: সিসিক প্রশাসক
সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের মশক নি/ধন অ/ভিযান শুরু
জৈন্তাপুরে দুই নারীকে ভা/রতে পা/চারের চেষ্টা, আ/সামি গ্রে/প্তার