ছবি : নিজস্ব
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামে আলোচিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় দুখু মিয়া ওরফে সুমনকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় দুখু মিয়া ওরফে সুমন। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দুখু মিয়া ওরফে সুমন (৩৫) হলেন, সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের জিগির আলীর ছেলে।
জানা যায়, গত (৯ মে ) মধ্যরাতে উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামে ইয়াহিয়া আহমদ চৌধুরীর বাড়িতে ঘরের দরজা ভেঙে সঙ্ঘবদ্ধ ডাকাতদল ঘরে প্রবেশ করে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন টর্চ লাইটসহ প্রায় ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর অজ্ঞাতদের আসামী করে ইয়াহিয়া আহমদ চৌধুরী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার আক্তার হোসেনের নির্দেশনায় তদন্ত কাজ শুরু করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের সনাক্ত করে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মাসুক আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত দুখু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় লুন্ঠিত কিছু টাকা, লোহার পাইপসহ ডাকাতির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
পরে শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামে ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ততার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ডাকাত দুখু মিয়া। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুখু মিয়া ওরফে সুমন ডাকাত হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার একাধিক ডাকাতি মামলার আসামী, সে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য।
এম সি




