পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র বাকি ১ দিন। শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে হবিগঞ্জের মাধবপুরের পশুর হাটগুলো। এবার উপজেলায় রয়েছে ২টি স্থায়ী ও ১১টি অস্থায়ী হাট।
সরজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার সদর এলাকায় ও অনেক পুরাতন পশুর হাট হচ্ছে পৌর শহর ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককের পাশে পশুর হাট'টি এবং উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের চেঙ্গার বাজার পশুর হাট। অনেক বছর ধরে এই দুই হাটেই চলে আসছে পশু ক্রয়-বিক্রয়। উপজেলার ১৩টি হাটেই গত কয়েকদিন ধরে বিক্রি ছিল খুবই কম। কিন্তু গত ৩-৪ দিন ধরে জমে উঠেছে হাটগুলো।
প্রতিটি হাটেই চলছে বিক্রির ধুম। মূল্য খুব বেশি না। তবে চাহিদা থাকায় ছোট আকারের গরুর মূল্য তুলনামূলকভাবে একটু বেশি। ২ মণ বা তার চেয়ে সামান্য বেশি মাংসের ষাঁড় গরুর মূল্য ৭৫-৯০ হাজার টাকা। মাঝারি ও বড় গরুর দাম গ্রাহকদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই আছে। ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০-৯০ হাজার টাকার মধ্যে মিলছে ৪-৬ মণ মাংসের ওজনের ষাঁড় গরু। পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ ক্রেতার প্রথম পছন্দের তালিকায় ষাঁড় গরু।
ক্রেতা ফজলে লোহানী চৌধুরী ও আতাউর রহমান বলেন, অন্যান্য উপজেলার তুলনায় মাধবপুর পৌরসভার পশুর হাটে পশুর হাসিলের টাকার পরিমাণ বেশি। এখানে দেড়-তিন-চার-পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত হাসিল গুনতে হয়। পাশেই বিজয়নগর উপজেলার খাতাবাড়ি ও ইসলামপুর বাজারে পশু প্রতি হাসিল মাত্র ৫,৭শ' টাকা।
পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক বলেন, পশুর হাট পরিচালনায় কোন ধরনের অনিয়ম ও অযৌক্তিক হাসিল আদায় করার সুযোগ নেই। হাসিল সহনীয় পর্যায়ে নেই এমন বিষয়ে কোনো ক্রেতার অভিযোগ পেলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডঃ আব্দুর ছাত্তার বেগ বলেন, অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশু হাটে ক্রয় বা বিক্রয় না হয় নজরদারি করা হচ্ছে।
মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রাকিবুল ইসলাম খান জানান, কোরবানির হাটে নিরাপত্তা ও জাল টাকা প্রতিরোধে মাধবপুর থানা পুলিশ কাজ করছে।
জৈন্তাবার্তা/রনি/এলএইচ




