ছবি : নিজস্ব
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট ইউনিয়নের মুদাহরপুর গ্রামের কৃষি জমির উপর শূন্যে ঝুঁলে পল্লী বিদ্যুৎতের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কারেন্টর দুইটি খুটি। গোড়ায় বাঁশ ও সিমেন্ট দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলেও ঝুঁকিতে আছেন দুই গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। চলতি বর্ষা মৌসুমের ঝড় ও অতি বৃষ্টিতে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।
এ নিয়ে গত ১৩ জুন "বাহুবলে হাই ভোল্টের কারেন্টর খুঁটি রেখেই পুকুর খনন" এই শিরোনামে দৈনিক জৈন্তাবার্তা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। এরই প্রেক্ষিতে বাহুবল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে কর্মরত এজিএম শহীদ উল্লাহ বাদী হয়ে বাহুবল থানায় কৃষি জমিতে অবৈধ পুকুর খননকারী মলাই মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
শনিবার (১৫ জুন) দায়ের করা মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট ইউনিয়নের মুদাহরপুর গ্রামে ওই অফিসের ১১ কেডি বৈদ্যুতিক লাইনের নীচে ওই গ্রামের আজিম উল্ল্যা ছেলে মোঃ মলাই মিয়া পুকুর কেটে ফিসারী নির্মাণ করায় বিদ্যুৎ লাইনের দুটি খুটির গোড়া হতে মাটি সরে যায় এবং বিদ্যুৎ লাইনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। লাইনটি ঝড় কিংবা অতিবৃষ্টিতে পড়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ লাইনটি পড়ে গেলে স্নানঘাট ও মুদাহরপুর দুটি গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে এবং দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা আছে। তা ছাড়া উক্ত গ্রাম দুটিতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
বিদ্যুৎ লাইনের নীচে পুকুর খনন করায় বিদ্যুৎ স্থাপনার ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ বাধাগ্রস্থ ও জনস্বার্থ বিঘ্ন ঘটার সম্ভবনা রয়েছে। বিদ্যুত স্থাপনার ক্ষতি সাধন করায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অভিযোগ করা হল।
জৈন্তাবার্তা/ মনোয়ার




