ছবি : নিজস্ব
হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন বাহুবল সাব-জোনাল অফিসের অধিনে মিরপুর এরিয়া অফিস ও দ্বিগাম্বর অভিযোগ কেন্দ্রে মোট- আড়াই হাজার গ্রাহক বৈদ্যুতিক তার সংকটে মিটার সংযোগ পাচ্ছেন না।
হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন বাহুবল সাব-জোনাল অফিসে প্রায় পাঁচশত’র অধিক, মিরপুর এরিয়া অফিসে প্রায় এক হাজারের অধিক ও দ্বিগাম্বর অভিযোগ কেন্দ্রে প্রায় পাঁচশত’র অধিক মোট-দুই হাজারের অধিক গ্রাহক বৈদ্যুতিক তার সংকটের কারণে মিটার সংযোগ পাচ্ছেন না।
জানা যায়, গত ৬ মাস ধরে বৈদ্যুতিক তার পাচ্ছেন না বাহুবল সাব-জোনাল ও এরিয়া অফিস। পারছেন না গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে। প্রতিদিন এক থেকে দেড়শত গ্রাহক অফিসে আসেন মিটার সংযোগের জন্যে।
মিরপুর এরিয়া অফিসের অর্ন্তভূক্ত গ্রাহক মোঃ সজল মিয়া, মোঃ কাউচার আহমেদ, লিটন খান, হীরেন্দ্র চন্দ্র দেব, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ ফারুক মিয়া সহ এ-প্রতিনিধি কে জানান, বিদ্যুৎ বিহীন অন্ধকার জীবন-যাপন করতেছি, তীব্র গরমে সন্তানদের লেখাপড়াও করতে পারছে না। ৩/৪ মাস হয়ে গেলো মিটারের আবেদন করেছিলাম মিটারও অত্র অফিসে আইছে কিন্তু তারের অভাবে আমরা সংযোগ পাইতাছি না।
বাহুবল সাব-জোনাল অফিসের জুনি: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মুকিত মিয়া, মিরপুর এরিয়া অফিসের জুনি: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুছ সালাম ও দ্বিগাম্বর অফিসের লাইন টেকনিশিয়ান মোঃ ইসলাম উদ্দিন জানান, তার সংকটে আমরা গ্রাহকদের সেবা দিতে পারছি না। অফিসে শত শত গ্রাহকের সিএমও জমা আছে। আমরা প্রতিনিয়ত গ্রাহকের বিভিন্ন কথা শুনতে হচ্ছে। আমরা আশা করছি খুব দ্রুতই তার সংকট সমাধান হবে।
বাহুবল সাব-জোনাল অফিসের এজিএম মোঃ শহীদ উল্লাহ জানান, শুধু বাহুবলে না সারা দেশে তার সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) কর্তৃক তার সহ সকল প্রকার সরঞ্জাম ক্রয় করে দেওয়া হয়। গত ৬ মাস ধরে ড্রপ তার পাচ্ছেন না কোন অফিস। ড্রপ তার পেলেই আমরা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারবো।
জৈন্তাবার্তা/ মনোয়ার




