দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার টু চকবাজার রাস্তার ফতেপুর জামাল পয়েন্ট থেকে নোয়াগাও পর্যন্ত তিন কিলোমিটার ব্লক ও কাঁচা রাস্তাটি খানাখন্দে রীতিমতো বেহাল। অনেকটা যেন দেখার কেউ নেই অবস্থা। বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে জন সাধরণের দুর্ভোগের সীমা নেই। এদিকে রাস্তাটির বেহাল হওয়ায় প্রতিনিয়ত নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পথচারীদের।
সরজমিনে দেখা যায়, ফতেপুর জামাল পয়েন্ট থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ব্লক ও এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি বিভিন্ন স্থানে ধ্বসে গেছে।
নোয়াগাঁও গ্রামের একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানান, ভাঙা ও ধ্বসে যাওয়া রাস্তায় মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চালিয়ে যাওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। নোয়াগাঁও গ্রামের জরসাধারণের চলাচলে এই রাস্তাটিই ভরসা। এছাড়া কোনো অসুস্থ রোগী নিয়ে রাস্তাটি দিয়ে যেতে পারিনা। এছাড়াও রাস্তা খারাপের কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজে যাওয়া আসার সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাস্তাটি এখন পাকাকরণ জরুরী। এই তিন কিলোমিটার রাস্তার জন্য প্রতিনিয়ত নানা সমস্যায় পড়তে হয়। গত ১২ বছর আগে এ দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় ইট বসানো হয়। তার পর আর সংস্কার বা পাকা করা হয়নি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোহেল আহমদ মিন্টু বলেন, রাস্তা খারাপ মানুষের চলাচলের সমস্যার সীমা নেই। মাঝেমধ্যেই পথচারীরা দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন। দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের দাবী জানান তিনি।
এ বিষয়ে লক্ষীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক জহিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, ফতেপুর জামাল পয়েন্ট থেকে নোয়াগাঁও পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার ব্লক ও কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমি আশাবাদী, খুব শিঘ্রই পাকাকরণ হবে।
দোয়ারাবাজার উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী মো মনছুরুল হক জানান, রাস্তাটির ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখবো।
জৈন্তা বার্তা/এসএ




