সিলেটের ফিলিং স্টেশনগুলোতে মাস শেষের আগেই শেষ গ্যাস বরাদ্দের লিমিট!
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ AM

সিলেটের ফিলিং স্টেশনগুলোতে মাস শেষের আগেই শেষ গ্যাস বরাদ্দের লিমিট!

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১/১১/২০২৪ ০৩:৫৬:৪৪ AM

সিলেটের ফিলিং স্টেশনগুলোতে মাস শেষের আগেই শেষ গ্যাস বরাদ্দের লিমিট!

ছবি : সংগৃহীত


১৭ বছর আগের চাহিদা বিবেচনায় সিলেটের ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের বরাদ্দের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর বেড়েছে যানবাহনের চাপ। কিন্তু বাড়েনি গ্যাস বরাদ্দের পরিমাণ। তাই মাস শেষ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যায় গ্যাস বরাদ্দের লিমিট। তাই বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন মাস শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ আগেই বন্ধ করে দিতে হয়। এতে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রী ও গাড়ি চালকদের।

 মাসের শেষ দিন পর্যন্ত যেসব ফিলিং স্টেশনে যৎসামান্য হলেও গ্যাস সরবরাহ করতে পারে সেগুলোতে থাকে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। মাস পাড়ি দিতে সারাদিনে মাত্র কয়েক ঘন্টা গ্যাস সরবরাহ করে ওই ফিলিং স্টেশনগুলোও বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। এতে চালকদের সাথে ফিলিং স্টেশন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রায়ই বাকবিতণ্ডা হতে দেখা যায়।

ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানিয়েছেন, ২০০৭ সাল থেকে সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে পরিবহনে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। বর্তমানে সিলেট বিভাগে রয়েছে অর্ধশতাধিক ফিলিং স্টেশন। গত এক দশক ধরে নতুন কোনো সিএনজি ফিলিং স্টেশনের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না। একই সাথে চলমান ফিলিং স্টেশনগুলোর বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে না।

এ নিয়ে গ্যাস বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার লিখিত ও মৌখিক আবেদন জানিয়েও কোন সুরাহা পাননি ব্যবসায়ীরা। দিন দিন যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে থাকায় উল্টো সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিকরা কঠোর আন্দোলনের চিন্তা-ভাবনা করছেন।

ফিলিং স্টেশনের মালিকরা জানান, ২০০৭ সালের তুলনায় বর্তমানে সড়কে গাড়ি বেড়েছে চারগুণ। কিন্তু গ্যাস বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি। যে কারণে ফিলিং স্টেশনের মালিকরা প্রতি মাসের শেষ ১০ দিন গ্যাস সংকটে পড়েন। জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ প্রতি ফিলিং স্টেশনের জন্য লোড নির্ধারণ করে দিয়েছে। এর বাইরে যেসব পাম্প গ্যাস বিক্রি করেন তাদের জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী জানান, গ্যাস বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য জালালাবাদ গ্যাসের কাছে বারবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। বৈঠকও করা হয়েছে। জাতীয় সংকটের দোহাই দিয়ে তারা বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। দেশের প্রায় ৭০ ভাগ গ্যাস সিলেট থেকে গ্রিডে সংযোজন হচ্ছে। কিন্তু সিলেটে গ্যাস সংকটে সিএনজি পাম্পগুলো বন্ধ রাখতে হচ্ছে যা খুবই দুঃখজনক। পাম্পগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

জৈন্তাবার্তা / রহমান



শীর্ষ সংবাদ:

‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট’, লক্ষ্য ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’
মাধবপুরে মা*দকবিরোধী সংগঠনের তিন সদস্যের ওপর হা*মলা
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের রাজনীতি করা উচিত নয়: এমপি এমরান আহমদ
এবার কুলাউড়া সীমান্তে বি*এসএফের গু*লিতে বাংলাদেশি নি*হত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জ্ঞানে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি: এমপি শওকতুল ইসলাম
বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন
ইবনে সিনার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অশোভন আচরণের অভিযোগ তুললেন সাংবাদিক ফয়সল আলম
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে সঠিক পরিসংখ্যানই একমাত্র ভিত্তি : বিভাগীয় কমিশনার
ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতক উ*ধাও, অভিযোগ উ*দ্ধারকারীর বি*রুদ্ধে
দোকান-মার্কেট খোলার নতুন সময়সূচি ঘোষণা