সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষকে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা ও হুমকি প্রদানেরর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বরাবরে জগন্নাথপুর মাদরাসা শিক্ষক সমিতির পক্ষে সহ-সভাপতি মাওলানা মখছুছুল করিম, সাধারণ সম্পাদক ড. সৈয়দ রেজওয়ান আহমদসহ ২৩ জনের স্বাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষের সম্মানহানির লক্ষ্যে একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। তারা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মাদরাসার অর্থ আত্মসাৎ ও স্বাক্ষর জালিয়াতিসহ বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট বিষয় উল্লেখ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন দপ্তর তথা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইসলামি আরবী বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সকল দপ্তর কর্তৃক তদন্তে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি বরং প্রতিটি তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কুচক্রী মহল কোনো উপায়ান্তর না দেখে এখন সন্ত্রাসী পন্থায় অধ্যক্ষকে অপদস্ত করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ৩১ আগস্ট মাদরাসা চলাকালীন সময়ে কতিপয় উশৃঙ্খল প্রকৃতির লোক মাদরাসায় প্রবেশ করে অধ্যক্ষকে না পেয়ে উপাধ্যক্ষকে ডেকে এনে বিভিন্ন প্রকারের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এমনকি তারা অধ্যক্ষকে জোরপূর্বক অপসারণ ও মাদরাসায় প্রবেশে বাধা প্রদান এবং অধ্যক্ষের অফিস তালাবদ্ধ করার হুমকি প্রদান করে। মাদরাসা শিক্ষক সমিতি জগন্নাথপুরের পক্ষ থেকে হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষকে হুমকি ও জোরপূর্বক অপসারণের চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ড. মইনুল ইসলাম পারভেজকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানসহ হুমকি প্রদানকারী সন্ত্রাসীদের আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। অন্যথায় জগন্নাথপুরসহ সমগ্র জেলার সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষকদের সমন্বয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে একটি স্মারকলিপি পেয়েছি।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




