যুক্তরাজ্য প্রবাসী বোরহান উদ্দিন শফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এই হত্যার মূল রহস্য উদঘানের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার দুপুরে সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার মামলার প্রধান আসামি জকিগঞ্জের বাসিন্দা সাব্বির আহমেদকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার ২নং আসামি সৈয়দ মেহরাজ উজ সামাদ ওরফে শোভনকে (২০) নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে অপর আসামি তাহিরুল হককে (২০) তার শ্বশুরবাড়ি লালাগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাহিরুলের কাছ থেকে নিহত শফির ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি জকিগঞ্জের সুলতানপুর ইউনিয়নের মাসেরচক হাওর বিলপাড় থেকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বোরহান উদ্দীন শফির (৫৯) সম্পূর্ণ আগুনে পোড়া মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে জকিগঞ্জ থানায় দুইদিন পর মামলা দায়ের করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি মামলাটি পুলিশের জেলা গোয়েন্দা শাখায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর সাব্বির ও শোভন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন তখন জানান, প্রথমিক তদন্তে জানা গেছে মূলত ব্যক্তিগত দ্বন্দের জের ধরে শফিকে হত্যা করা হয়েছে।
জানা যায়, নিহত বুরহান উদ্দিন শফি (৫৯) সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা হলেও সিলেট নগরীর আম্বরখানা এলাকার ৩৪/৪১ নম্বর বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, বুরহান উদ্দিন শফি যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছিলেন। তিনি গত ৩০ জানুয়ারি সিলেট থেকে কুলাউড়া যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় স্বজনরা সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে জকিগঞ্জ থেকে তার পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




