সুনামগঞ্জে তরুণীকে ধ*র্ষণ, আ*টক ৩
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১০:১৪ AM

সুনামগঞ্জে তরুণীকে ধ*র্ষণ, আ*টক ৩

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৬/০৩/২০২৬ ০৩:১২:১৬ PM

সুনামগঞ্জে তরুণীকে ধ*র্ষণ, আ*টক ৩


সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে। আটকরা হলেন- সুনামগঞ্জ পৌরসভার বাঁধনপাড়া এলাকার সোহেল মিয়া, বড়পাড়া এলাকার মাসুম মিয়া ও গণিপুর এলাকার মো. এরশাদ (৩৪)। আটকদের ওইদিন দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বিয়ের প্রলোভন ও ধর্ষণের অভিযোগে ভুক্তভোগী তরুণী নিজে বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেছেন। এরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে আটক করে।

জানা গেছে, সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ওই তরুণীর সাথে সুনামগঞ্জের ভৈরব নামে এক যুবকের প্রায় ৪ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তরুণী ভৈরবের সঙ্গে সুনামগঞ্জ পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে দেখা করতে গেলে ভৈরব তার ভিন্ন ধর্মের পরিচয় দিয়ে সম্পর্ক রাখতে অস্বীকৃতি জানান। একই দিনে ভৈরবের বন্ধু সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সোহেল মিয়ার সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক সোহেল বিয়ের লোভ দেখিয়ে তরুণীকে তার ওয়েজখালির বাসায় ১৫-১৬ দিন আটকে রাখেন এবং সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়।

গত ১ মার্চ সোহেলের মায়ের সঙ্গে তরুণীর ঝগড়া হলে সোহেল তাকে তার বন্ধু এরশাদের বাসায় রেখে সিলেটে চলে যান। সেখান থেকে তরুণী বাড়ি ফিরতে চাইলে এরশাদ ও মাসুম তাকে সিলেটে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে বিশ্বম্ভরপুর থানার জনতা বাজার এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে মাসুমের সহায়তায় অটোরিকশার ভেতরেই তরুণীকে ধর্ষণ করেন এরশাদ। পরে তাকে একটি গোপন স্থানে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় তরুণীকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

জৈন্তা বার্তা/আরআর