ধামাইল,গান ,পুথি আর নাটকে প্রাণ পেল ‘ছিলটি লোক উৎসব-২০২৬’
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:০৪ AM

লোকঐতিহ্য প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান

ধামাইল,গান ,পুথি আর নাটকে প্রাণ পেল ‘ছিলটি লোক উৎসব-২০২৬’

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০/০৪/২০২৬ ১০:০২:৪৩ PM

ধামাইল,গান ,পুথি আর নাটকে প্রাণ পেল ‘ছিলটি লোক উৎসব-২০২৬’

ছবি:সংগৃহীত


দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ‘ছিলটি লোক উৎসব-২০২৬’। ‘হাছনরাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ’-এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আলী আমজাদের ঘড়ি, কীনব্রীজ চাঁদনীঘাট ও সারদা হল প্রাঙ্গণে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

ছিলটের শেকড়ের সংস্কৃতি পুনর্জাগরণ এবং ছিলটি নাগরী ভাষার সাহিত্য-সংস্কৃতির গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ আয়োজন করা হয়। দিনভর উৎসবে স্থানীয় শিল্পীরা পরিবেশন করেন লোকগান, ধামা্লইল, কবিতা, ছড়া, পুথি ও নাটকসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত সমাপনী সেশনে পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ-সিদ্দিকী, সিলেট মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব) এবং জেলা জাসাসের সদস্য সচিব রায়হান হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান হোসেন চুন্নু।

বক্তারা বলেন, হাজার বছরের ভাষা ও সংস্কৃতির ধারায় ছিলেটিদের রয়েছে নিজস্ব স্বতন্ত্র পরিচয়। মরমী কবি ও বাউল সাধকদের অবদানে সমৃদ্ধ সিলেটের সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্প্রীতি, উদারতা ও ঐতিহ্যের ধারক। বিয়ে-শাদি, আচার-অনুষ্ঠান, গান, কবিতা, পুথি ও খাদ্যসংস্কৃতিতে এ ঐতিহ্যের বৈচিত্র্য স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

তারা আরও বলেন, বিশ্বায়নের প্রভাবে বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসনে স্থানীয় লোকঐতিহ্য হুমকির মুখে পড়ছে। তাই শেকড়ের সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে এ ধরনের উৎসবের বিকল্প নেই। ছিলটির লোকঐতিহ্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন বক্তারা। পাশাপাশি নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম কামরুল চৌধুরী ও এ কে এম কামরুজ্জামান মাসুম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জান্নাতুল নাজনীন আশা এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ফয়সল আহমদ।

উৎসবে বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, ছিলটি লোকঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন ড. সৈয়দ রাগীব আলী, ড. মমিনুল হক, মোস্তফা সেলিম, গোলজার আহমদ, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী ও আয়াজ বাঙালি।

উৎসব সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আয়োজকরা।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ ও দানবাক্সের টাকা জমা হলো ব্যাংকে
মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করবেন: আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী
দুই সেতুর সংযোগ সড়ক উঁচু করার দাবিতে ছাতকে মানববন্ধন
কয়েস লোদীকে হ*ত্যার হু*মকি, থানায় অ*ভিযোগের প্রস্তুতি
সিলেটে আগামী ৫ দিন ভারি বৃষ্টি হতে পারে
বাতিল হলো সালমান শাহ’র ম'রদেহ তোলার নির্দেশ
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় ব*ঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা, স্ব*জনপ্রীতির অ*ভিযোগ
নবীগঞ্জের ক্ষ*তিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
শাহজালাল (র.) মাজারের ডেকচি ও দানবাক্সে ৪ দিনে জমা ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা
জগন্নাথপুরে খাসজমিতে বসবাসকারী ৫ পরিবারকে অ*বরুদ্ধ করার অভিযোগ