সংগৃহিত
আড়ত সূত্রে জানা যায়, ধরা পড়া ইলিশের মধ্যে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ মাছ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। এতে পাওয়া যায় ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে পাওয়া যায় ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ৪৬ মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।
ট্রলারের মাঝি আলমগীর বলেন, ‘প্রায় পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পেয়েছি। একবার জাল ফেলতেই প্রায় ২ হাজার ২০০ টি ইলিশ ধরা পড়ে। একসাথে এমন মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি।’
মনোয়ারা ফিশের ব্যবস্থাপক সগির আকন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম বেশি থাকায় জেলেরা ভালো মূল্য পেয়েছেন। সচরাচর এত বেশি পরিমানে এত বড় আকারের ইলিশ একসঙ্গে পাওয়া যায় না।’
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘কিছুদিন আগেও সাগরে ইলিশের সংকট ছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়তে পারে। এতে জেলে, আড়তদারসহ ইলিশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।’
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




