সংগৃহীত
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ন্যাশনাল টি কোম্পানির তেলিয়াপাড়া চা বাগানে দীর্ঘদিন ধরে চলমান শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়েছেন এমপি পুত্র শিল্পপতি ও সমাজসেবক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ।বিভিন্ন কারণে বাগানের শ্রমিকরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ায় স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। এর প্রভাব পড়ে বাগান ব্যবস্থাপনার ওপরও। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ বিরোধের জেরে বাগানের কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।
হবিগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সলের নির্দেশে তাঁর ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ শনিবার সকালে নোয়াপাড়ায় বাগানের সেক্রেটারি লালন ও শ্রমিক নেতা হেমন্ত পানের মধ্যকার বিরোধ মীমাংসা করেন । এছাড়া বাগান ম্যানেজার দেওয়ান বাহাউদ্দিন লিটনের সঙ্গে শ্রমিক নেতাদের যে ভুল বোঝাবুঝি ছিল, তাও তিনি নিষ্পত্তি করে দেন।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল জানান, তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ত্রিমুখী সংকটের কারণে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এতে সাধারণ শ্রমিকদের পাশাপাশি বাগান কর্তৃপক্ষও চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ অবস্থায় সৈয়দ শাফকাত আহমেদ উদ্যোগ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করেন। ফলে বাগানে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে এসেছে।শ্রমিক নেতা হেমন্ত পান বলেন, “তেলিয়াপাড়া একটি ঐতিহ্যবাহী চা বাগান। আমরা সবাই মিলেমিশে এর স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করে যাব।”
সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, “শ্রমিক, ম্যানেজমেন্ট ও অন্যান্য সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করেছি। এখন সবাই মিলেমিশে কাজ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




