সংগৃহীত
সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি।আজ মঙ্গলবার সকালে পরিদর্শন শেষে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে কক্সবাজার জেলার ৮টি উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগে ৪৫ হাজার ৪৩৬টি পরিবারের ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় এখনো অনেক মানুষ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও যোগাযোগ সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলবে না। পাহাড়খেকোরা যতই প্রভাবশালী হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি বলেন, কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচিত সরকারের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেতু-কালভার্টসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও বসতবাড়ির ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব করে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।এ সময় কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, পুলিশ প্রশাসন এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




