ছবি:সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের গণশুনানি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে চারজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুর পৌরসভার ইসহাকপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমানে সিলেট সদর থানার উত্তর বালুচর এলাকায় বসবাসকারী হাজী জিলু মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মৃত আবদুস কুদ্দুসের স্ত্রী আঙ্গুরা বেগমের বসতবাড়ির সামনের রাস্তার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
এ বিরোধের জেরে হাজী জিলু মিয়ার করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার ইউএনও কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে গণশুনানির আয়োজন করা হয়। শুনানি শেষে উভয় পক্ষ নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষ থেকে বের হওয়ার পরই তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে হাজী জিলু মিয়া, আবদুল হান্নান, ইকবাল ও লিলু মিয়া আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, “ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে আমরা মর্মাহত। আমার কার্যালয়ে পর্যাপ্ত আনসার সদস্য না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।’
এদিকে ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে ইসহাকপুর গ্রামের মো. গুলবার মিয়া বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জগন্নাথপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু করার নেই, বিষয়টি ইউএনও মহোদয় দেখবেন।’
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




