ছবি:সংগৃহীত
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, হৃদরোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়েছে। দেশে বর্তমানে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে। তবে হৃদরোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’ উপলক্ষে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট আয়োজিত আলোচনা সভা ও গণমুখী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও মানসিক চাপের কারণে দিন দিন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। হৃদরোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও সচেতন জীবনযাপন জরুরি।
তিনি বলেন, মানুষের শরীরের অন্যতম সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হৃৎপিণ্ড। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অসচেতনতার কারণে হৃদরোগ এখন বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। হৃদরোগ প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। বিশেষ করে হৃদরোগের কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, হৃদরোগ থেকে মুক্ত থাকতে হৃদবান্ধব খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে হবে। চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে হবে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট প্রতিষ্ঠায় জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিকের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। হৃদরোগের চিকিৎসাসেবায় প্রতিষ্ঠানটি সিলেটসহ বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের জন্য ভূমি বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনাম
জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ




