ছাতকে থইথই পানি, বন্যার আশষ্কা
ছাতকে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। গত ১০ দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পুরো উপজেলাজুড়ে পানি থইথই করছে।
মঙ্গলবার (২০ জুন) সকাল পর্যন্ত উপজেলার সুরমা,পিয়াইন,চেলা নদীসহ সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত ও নদ-নদীর পানি প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ধারণা ছাতকে গত বছরের মতো ভয়াবহ বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে উপজেলার নিম্নাঞ্চল নোয়ারাই-বালিউরা, নরসিংপুর, ছাতক-আমবাড়ী দোয়ারা সড়ক, কৈতক-হায়দরপুর, জালালপুর-লামারসুলগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ-লাকেশ^র বাজারসহ গ্রামীণ সব কটি সড়কে পানি থইথই করছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময় উপজেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে নিম্নাঞ্চলের। উজানের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এখানে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীতে ব্যাপক হারে পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ শহরের চুনশিল্প কারখানা, ক্রাশার মিল বন্ধ রয়েছে। ফলে শত-শত শ্রমিক এখানে বেকার। একাধারে ভারী বর্ষণের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নূরের জামান চৌধুরী জানান উপজেলার নিম্নাঞ্চল পরিদর্শনে আসছি। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও উপজেলা সদর এখনো প্লাবিত হয় নি, উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে, ইতিমধ্যে উপজেলার বেশ কটি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। কোনো এলাকা প্লাবিত হলে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। উপজেলার পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রীর ব্যবস্থা আছে কি না জানতে জাইলে তিনি জানান এখনো এইরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মামুন হাওলাদার জানান মঙ্গলবার (২০ জুন) সকাল ৯ টা পর্যন্ত ছাতক পয়েন্টে বিপদ সীমার ০.৮০ মিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ছাতকে সোমবার (১৯ জুন) ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যে বন্যার সম্ভাবনা নেই।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




