ছবি: নিজস্ব
বাহুবল বাজারের মহিলা কর্ণার নামে মহিলাদের পরিচালিত দোকান কোঠা পুরুষ দ্বারা আবারো পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন পুরুষ পরিচালিত হয়ে আসার পর গত বছরের শেষ দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহুয়া শারমিন ফাতেমা পূর্বের ভাড়াটে মহিলাদের চুক্তি বাতিল করে নতুন করে আগ্রহী মহিলাদের নিকট হতে দরখাস্ত আহবান করা হয়।
নিয়মানুযায়ী সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করে তালিকা দেবেন ইউএনও অফিসে। তিনি সেই তালিকা অনুযায়ী ভাড়া চুক্তি সম্পাদন করবেন। কিন্তু বিধিরাম, যেই লাউ সেই কদু।
পূর্বের ভাড়াটে মহিলারা ছিলেন ৪নং বাহুবল সদর ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরীর বোন ও বাহুবল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলমের স্ত্রী জেসমিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শামীম মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার ও যুবলীগ নেতা মজনু মিয়ার স্ত্রী লিজা আক্তার।
মূলত: তাদের নামে বরাদ্দ হলেও তারা দীর্ঘদিন উপ ভাড়া দিয়ে মোটা অংকের জামানত নিয়ে পূরুষের কাছে ভাড়া দেয়া হয়। আবার নতুন করে বরাদ্দ পাওয়ার পরও পূর্বের ভাড়াটি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে- ওই মহিলা কর্ণারের টয়লেটটিও দখল করে গুদাম বানিয়ে ভাড়া নেন বাহুবল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম। কিন্তু এবারও সেই আগের ভাড়াটেরাই নতুন করে ভাড়া প্রাপ্ত হন এবং পুরুষ কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে।
জানতে চাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান বলেন, এ বিষয়ে আমি উপজেলা প্রকৌশলীকে বলেছি বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
এবিষয়ে জানতে বাহুবল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হাসানকে বার বার কল দিলেও কোন সাড়াদেননি তিনি।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




