ধেয়ে আসছে হারিকেন মিল্টন
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ AM

ধেয়ে আসছে হারিকেন মিল্টন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯/১০/২০২৪ ০২:৪০:২৪ AM

ধেয়ে আসছে হারিকেন মিল্টন

ছবি সংগৃহীত


ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মিল্টন। বলা হচ্ছে গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে। ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (৯ অক্টোবর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা ফ্লোরিডা উপকূলের দিকে এগোতে থাকা হারিকেন মিল্টনের সম্ভাব্য জীবন-হুমকির প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর আটলান্টিকে তৈরি হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়গুলোর মধ্যে একটি হতে যাচ্ছে মিল্টন।

যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেন হেলেন তাণ্ডব চালানোর মাত্র দুই সপ্তাহ পর এটি আঘাত হানতে চলেছে। স্থানীয় সময় বুধবার এটি আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) জানিয়েছে, মিল্টন স্থানীয় সময় বুধবার রাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যে একটি ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক হারিকেন’ হিসেবে ল্যান্ডফল করবে। এটি টাম্পা শহরের কাছে আঘাত হানতে পারে, এলাকাটিতে তিন মিলিয়নের বেশি জনসংখ্যা রয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এর প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, প্রবল বাতাস এবং সম্ভাব্য ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, মিল্টন প্রায় এক শতাব্দীর মধ্যে এই অঞ্চলে আঘাত হানার সবচেয়ে খারাপ ঝড় হতে পারে। এর প্রভাবে ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে দেড় ফুট পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

জৈন্তা বার্তা/আরআর



শীর্ষ সংবাদ:

বড়লেখায় নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর গাড়িবহর ঠেকানোর চেষ্টা বিএনপির
বিমানবন্দর প্রকল্পে জমি হা*রানোদের কান্না, ন্যায্য পাওনার দাবিতে আ*ন্দোলনের হুঁ*শিয়ারি
বড়লেখা সীমান্তে অ*বৈধ ভা*রতীয় সিগারেট জ*ব্দ
শ্রীমঙ্গলে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘ*র্ষে দুই তরুণ নি*হত, আ*হত একজন
জকিগঞ্জে অ'স্ত্র ও বি'স্ফোরক জ'ব্দ
শিক্ষার মানোন্নয়ন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: সিলেটে শিক্ষামন্ত্রী
সিলেটে ভারি বর্ষণের আভাস
ড্রেজারে বালু উ*ত্তোলন হু*মকির মুখে চা-বাগান, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি
জৈন্তাপুরে মোবাইল কোর্টের অ*ভিযান: ৩ লাখ টাকা জ*রিমানা
বড়লেখা সীমান্তে বিএস*এফের পু*শইন চেষ্টা, প্র*তিরোধে বিজিবি ও স্থানীয়রা