প্রতীকী ছবি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা, বাধা, হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২৭টি মামলা হয়েছে মৌলভীবাজারে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীরা ১৪টি এবং রাজনৈতিক নেতা-কর্মী বাদী হয়ে ১৩টি মামলা করেছেন সদরসহ বিভিন্ন থানায়। এজাহারভুক্ত মোট আসামি দেড় হাজার। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে প্রায় ১ হাজার জনকে।
২৭ মামলার মধ্যে মৌলভীবাজার সদরে ১৩, কুলাউড়ায় দুই, জুড়িতে এক, বড়লেখায় আট ও শ্রীমঙ্গলে তিনটি। সবচেয়ে বেশি মামলা সদর মডেল থানায়। এ থানায় ১৩টি মামলায় মোট আসামি ৯৫৭ জন। ১৩ মামলায় ১৮৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। সব মিলিয়ে পুরো জেলায় গ্রেপ্তার হয়েছে ৪০০ আসামি।
গত ৪ আগস্ট আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর হামলায় সদর থানায় করা মামলার বাদী আবদুল কাদির বলেন, ওইদিন শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌমোহনায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়ে আমাদের ভাইদের আহত করেছে। কেউ কেউ বরণ করেছেন পঙ্গুত্ব।
তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ আসামিদের পুনর্বাসনে সহযোগিতা করছে। এজন্য প্রকৃত হামলাকারীরা গ্রেপ্তার হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ৪ আগস্টের আগে আমাদের ফেসবুক আইডি দেখে দেখে পুলিশ বাড়িঘর ঘেরাও করে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আটক করছে। ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সুসম্পর্ক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে গড়িমসি চলছে।
শ্রীমঙ্গল থানায় একটি রাজনৈতিক মামলার বাদী জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ইদ্রিছ আলী। তিনি বলেন, আমাদের কোনো মামলার আসামি ধরতে পুলিশের তৎপরতা নেই।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ৪০০ আসামি গ্রেপ্তার করেছি। কিছু আসামি পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশের অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, যারা অভিযোগ করছেন আমরা প্রকৃত হামলাকারীদের আটক করছি না, তাদের বলেন ওই আসামিদের অবস্থান জানাতে। আমরা গ্রেপ্তার করব।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




