ছবি: সংগৃহীত
তৃণমূলের নেতারাই নির্বাচিত করবে তাদের পছন্দের নেতা কে হবে। কোনো অবস্থাতেই ওপর থেকে কমিটি চাপিয়ে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন- বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক টিমের প্রধান অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
ডা: জাহিদ বলেন- বিএনপি বড় একটি দল। ফ্যাসিস্ট হাসিনার জুলুম নির্যাতনের কারণে বিগত ১৭ বছর যাবত দলের কাউন্সিল আমরা ঠিকমতো করতে পারিনি। আমাদের দলে অনেক নেতা তৈরি হয়েছে। যাদের পদ দেয়া দরকার,তাদেরকে দিতে পারিনি। এখন থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে সকল কমিটি হবে। তিনি বলেন- যারা দু:সময়ে দলের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম রাজপথে ছিলেন, নির্যাতিত নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এখনও দলের জন্য কাজ করেছেন তারাই দলের নেতৃত্ব দিবেন। অন্যরাও পাশে থাকবে তাদের দূরে সরিয়ে দিবো না। তবে তাদেরকে দলের মূল দায়িত্বে দেয়া হবে না।
দলীয় নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,আপনাদের মনে রাখতে হবে, সামনে কঠিন কাজ। আগামী দিনে যারা দলের দায়িত্ব প্রাপ্ত হচ্ছেন এ আহবায়ক কমিটির মেয়াদ হচ্ছে, ত্রিশ থেকে চল্লিশ দিনের। আগামী পহেলা মার্চের আগে দলের জেলা সম্মেলন হতে হবে। অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে জেলার সকল ইউনিট কমিটির সম্মেলন শেষ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় মৌলভীবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে মৌলভীবাজার জেলার সাতটি উপজেলা ও পাঁচটি পৌরসভার আংশিক আহবায়ক কমিটি ঘোষণাকালে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা বিএনপির আহবায়ক ফয়জুল করিম ময়ূনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপনের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) আলহাজ্ব জিকে গউছ,জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি এম নাসের রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন মিলন,মিফতা সিদ্দিকী। এসময় উপস্থিত ছিলেন - জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী,আলহাজ্ব এম এ মুকিত,এড সুনীল কুমার দাশ,মো.ফখরুল ইসলাম,বকসী মিছবাউর রহমান,মুজিবুর রহমান মজনু,শ্যামলী সূত্র ধর প্রমূখ।
এর আগে জেলা বিএনপির আহবায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দীর্ঘ তিনঘন্টা ব্যাপী চলা বৈঠকে জেলার সাতটি উপজেলা ও পাঁচটি পৌর বিএনপির আংশিক আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক বৃন্দের নামের তালিকা প্রস্তুত করেন। এতে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম নাসের রহমান,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানসহ আহবায়ক কমিটির নেতৃস্থানীয়রা অংশ নেন ।
জৈন্তাবার্তা / জারা




