ছবি: নিজস্ব
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার নিবন্ধন করার বড় একটা উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা। এবার আগের মতো ভোট হবে না। আপনার ভোট আপনি দিতে পারবেন। এ লক্ষ্যে মানুষের মধ্য একটি জাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। নারী ভোটারসহ সকল ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে আসেন সে লক্ষ্যে নানা প্রচার-প্রচারণা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা একটি সুষ্ঠ-সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে চাই, এতে কোন দ্বিধাদ্বন্দ নেই। আমাদের লক্ষ্য একটা, কোন দল বা গোষ্ঠিকে ভোটে জিতানোর জন্য অথবা কোন ব্যক্তিকে ভোটে জিততে না পারে সে কাজের জন্য আমরা নামিনি। আমরা নেমেছি সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার জন্য। মানুষ যাকে ভোট দেবে সেই জিতবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
আগে ফেবার না করলে চাকুরী নিয়ে টান পড়তো। অফিসাররা যখন কাজ করত তখন কাউকে কাউকে ফেবার করার কথা বলা হতো। ফেবার না করলে অসুবিধা হতো। সমস্যা হতো। এখন ফেবার করতে গেলে অসুবিধা হবে। আগের অবস্থার এখন পুরো উল্টো। এখন আর আগের মতো ভোট হবে না। আমরা সর্তক করে দিচ্ছি এব্যাপারে অনড় থাকব। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার ৯ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় শহরের বেঙ্গল কনভেশন হলে “ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জ এবং চ্যালেঞ্জ উত্তরণের উপায়” শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সিলেট আঞ্চলিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল আলম’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো: ইসরাইল হোসেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ মঈন উদ্দীন খান, উপপ্রধান (উপসচিব) ও প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়। কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানটি যৌথ ভাবে সঞ্চালনা করেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ এমদাদুল হক ও সিলেট বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাচন অফিসার স্বর্ণালী চক্রবর্ত্তী।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




