ছবি: নিজস্ব
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টেস্টি ট্রিট নামে একটি ফাস্ট ফুডের দোকানে চার তরুণ-তরুণীকে আটকে হেনস্তা করার অভিযোগে ৩ যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার রাতে বড়লেখা পৌরশহরে এই ঘটনা ঘটে। এসময় ফাস্ট ফুডের দোকানেও ভাঙচুর করা হয়েছে।
এই ঘটনায় জড়িত বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী এক তরুণীর করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার মুছেগুল গ্রামের আহমদ মোস্তফা তোফায়েল, দোহালিয়া গ্রামের মো. শফিকুল ইসলাম আদিল ও বড়থল গ্রামের নাইম আহমদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখা উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বী দুই তরুণ তাদের পূর্বপরিচিত প্রাইমারি স্কুলের দুই মুসলিম সহপাঠী তরুণীর সাথে বুধবার রাতে বড়লেখা পৌরশহরের টেস্টি ট্রিট ফাস্ট ফুডের দোকানে ফাস্টফুড খেতে যান। খাবার শেষে তারা বেরিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন যুবক তাদের আটক করে। এসময় তারা দুই তরুণকে ইসকন সন্ত্রাসী তকমা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটিয়ে ভিডিয়ো ধারণ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন রেস্টুরেন্টে জড়ো হন । একপর্যায়ে ওই তরুণ-তরুণীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
খবর পেয়ে বড়লেখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ওই তরুণ-তরুণীকে থানায় নিয়ে আসার পর উত্তেজিত লোকজন ফাস্ট ফুডের দোকানে ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী এক তরুণী ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা করেন।
এ বিষয়ে জানতে টেস্টি ট্রিট ফাস্ট ফুড কর্তৃপক্ষের মুঠোফোন যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও কল রিসিভ করে বলেন তিনি ব্যাস্থ আছেন।
জৈন্তাবার্তা / এম সি




