বুলবুল আহমেদ: স্মৃতির পাতায় অমর এক মহানায়ক
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৫ PM

বুলবুল আহমেদ: স্মৃতির পাতায় অমর এক মহানায়ক

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫/০৭/২০২৫ ০৪:০৪:৫৬ PM

বুলবুল আহমেদ: স্মৃতির পাতায় অমর এক মহানায়ক

ফাইল ফটো


সত্তর-আশির দশকে যে ক’জন সুদর্শন নায়ক দর্শকদের মন জয় করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম বুলবুল আহমেদ। অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ‘মহানায়ক’র তকমাও পেয়েছিলেন এই অভিনেতা। আজ (১৫ জুলাই) তার চলে যাওয়ার দিন। ২০১০ সালের এদিনে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই অভিনেতা।সত্তর-আশির দশকে যে ক’জন সুদর্শন নায়ক দর্শকদের মন জয় করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম বুলবুল আহমেদ। অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ‘মহানায়ক’র তকমাও পেয়েছিলেন এই অভিনেতা। আজ (১৫ জুলাই) তার চলে যাওয়ার দিন। ২০১০ সালের এদিনে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই অভিনেতা।

প্রতি বছর এদিন বুলবুল আহমেদকে শ্রদ্ধা ও ভালোসায় স্মরণ করেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ করে তার পরিবারও। মহানায়ক’র মেয়ে অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা আহমেদ বলেন, ‘আব্বুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের খাওয়ানোর আয়োজন করা হয়েছে।’

বছর কয়েক আগে বুলবুল আহমেদের জন্মবার্ষিকীতে ঐন্দ্রিলা জানিয়েছিলেন, তার বাবার জীবনী নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি। সেই কাজ কতদূর জানতে চাইলে মেয়ে বলেন, ‘আমি এরই মধ্যে আব্বুকে নিয়ে ডকুমেন্টারি বানিয়েছি, বই লিখেছি। বায়োপিক বানাতে গেলে অনেক পরিশ্রম, গবেষণা ও ফান্ডের প্রয়োজন। স্ক্রিপ্ট লেখাও বেশ জটিল কাজ। এসব অনেক সময়ের ব্যাপার। পারিবারিক কাজ ও অফিস নিয়ে ব্যস্ততার কারণে সেই সময় বের করতে পারছি না। সবকিছু গুছিয়ে উঠতে বছরখানেক সময় লাগবে। এরপর বায়োপিক নির্মাণের কাজে হাত দিতে পারব।’

বলা দরকার, বুলবুল আহমেদের জন্ম ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪১ সালে, পুরান ঢাকার আগামসি লেনে। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় তাবাররুক আহমেদ বুলবুল। সিনেমায় অভিনয় করতে এসে তিনি বুলবুল আহমেদ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগ থেকে এমএ পাস করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই ‘ডাকসু’ ও এসএম হল আয়োজিত বিভিন্ন নাটকে অভিনয় করতেন। ১৯৬৩ সালে এমএ পাশ করে কাজ নেন বেতারে। পারিশ্রমিকে সংসার চালাতে কষ্ট হতো বলে চাকরি নিয়েছিলেন ব্যাংকে।টেলিভিশন নাটকে বুলবুল আহমেদের অভিনয়জীবন শুরু হয় ১৯৬৮ সালে। ‘পূর্বাভাস’ তার প্রথম নাটক। তিনি ‘আরেক ফাল্গুন’, ‘বরফ গলা নদী’, ‘ইডিয়ট’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’, ‘তোমাদের জন্যে ভালোবাসা’, ‘তুমি রবে নীরবে’, ‘টাকায় কি না হয়’, ‘মালঞ্চ’, হৈমন্তী’, ‘এইসব দিনরাত্রি’সহ বহু নাটকে অভিনয় করেছেন, হয়েছেন প্রশংসিতও।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা