ছবি:সংগৃহীত
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সিলেট নগরীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব।
সোমবার (২৯ জুন) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নগরভবনে আয়োজিত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত এলাকার মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নে অংশীজনের মতামত গ্রহণ বিষয়ক কর্মশালায় অডিও-ভিজ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সিলেট নগরকে ঘিরে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও তার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। ধাপে ধাপে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, নগরবাসীর স্বাচ্ছন্দ্য, হাঁটাচলা, বিনোদন ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক, উন্মুক্ত স্থান এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সুন্দর, টেকসই ও আধুনিক নগর গড়তে সুপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যেই সিলেট নগরের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরের পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে কার্যকর দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।
কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা ভূমি ব্যবহার, আবাসন, পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসেবা সম্প্রসারণ, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন ও টেকসই নগরায়ণ বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবমুখী মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অংশীজনের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকলের পরামর্শের ভিত্তিতে তৈরি এই পরিকল্পনা সিলেট নগরীর সুষম উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মশালায় উঠে আসা মতামত ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে মহাপরিকল্পনার খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবরসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




