অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৮ AM

অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫/০৭/২০২৬ ০৫:৩২:১০ PM

অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ

সংগৃহিত


দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠানোর ঘোষণা দেন তিনি। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছিল দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি। এ দাবিকে কেন্দ্র করেই কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপির আলোচনা বারবার অচলাবস্থায় পড়েছিল।

শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণে সরকার রাজি না হলে আলোচনার কোনো অর্থ নেই।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত তিনটি প্রধান দাবিই পূরণ হলো। দাবিগুলো ছিল- শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ।

এর আগে শুক্রবারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকার শেষের দুটি দাবির বিষয়ে নীতিগত সম্মতি জানালেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কোনো অবস্থান জানায়নি।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ধর্মেন্দ্র প্রধান লেখেন, ‘এই দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি এবং ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ভারতের যুবসমাজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাই আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশসেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’

পদত্যাগের খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের মধ্যে উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন।

প্রতিক্রিয়ায় সিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছে, ‘শিক্ষার্থীদের শক্তি দীর্ঘজীবী হোক।’

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যন্তর মন্তরের মঞ্চ থেকে বলেন, "আমরা সফল হয়েছি। তারা বলত, এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। কিন্তু আমরা তা করে দেখিয়েছি।"

গত কয়েক দিনে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়। বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকারকে চাপে ফেলে। 

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ: