সংগৃহীত
স্বামী তৌফীক নাওয়াজের মৃত্যুর পর আর বাসায় ফেরার তাগিদ অনুভব করছেন না জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে নিজের জামিন আবেদন প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় বৃহস্পতিবার তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির করা হয়। এদিন তার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে জামিন শুনানি শুরুর আগে কথা বলার অনুমতি চান দীপু মনি। অনুমতি পেয়ে এজলাসের কাঠগড়ায় থাকা মাইক্রোফোনে তিনি কথা বলেন।
ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
দীপু মনি আদালতকে বলেন, “আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ আছি। গত এপ্রিল মাসে আমার জামিন আবেদন করা হয়েছে। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।”
তিনি বলেন, “এর আগে জামিন আবেদন শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, বাসায় গিয়ে কী করবেন? এখন আমার আর বাসায় যাওয়ার দরকার নেই।”
স্বামীর অসুস্থতার কথা তুলে ধরে দীপু মনি বলেন, তার স্বামী তৌফীক নাওয়াজ সাত বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। ওই সময়ে তার বাকশক্তিও ছিল না। তিনি বলেন, “কোনো কথা বললে চোখের পলক ফেলে উত্তর দিতেন তিনি।”
দীপু মনির বক্তব্যের পর ট্রাইব্যুনালে তার জামিন আবেদন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়।
জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ




