ছবি: সংগৃহীত
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দুর্গম পাহাড় গ্রেফতার হওয়া ১৭ জঙ্গির মধ্যে ১৫ জনের চলছে রিমান্ড। তাদের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সিটিটিসির এক সিনিয়র কর্মকর্তা।
ঢাকা মেট্রোপুলিশের মিরপুর থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলায় আটক দেখিয়ে এদের রিমান্ড চলছে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের বুধবার হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্তা সিটিটিসির উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজাদা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তদন্ত কর্তা মিরপুর মডেল থানায় করা সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কর্মধার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া নতুন জঙ্গি সংগঠন ইমাম মাহমুদের কাফেলার শীর্ষ ১৫ নেতা পাঁচ দিনের রিমান্ডে থাকলেও দুজনকে আসামি রয়েছে জেল হাজত।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিব এই আদেশ দেন। রিমান্ডে নেওয়া ১৫ আসামিরা হলেন শীর্ষ নেতা নাটোরের গাও পাড়ার জুয়েল মাহমুদ, সিরাজগঞ্জের পুরাবাড়ির চিকিৎসক সোহেল তানভীর রানা (৩০), কক্সবাজারের রামুর সাদমান আরেফিন ফাহিম (২১), মো. ইমতেজার হাসসাত নাবীব (১৯), গাইবান্ধার চাদপাড়ার রাহাত মন্ডল (২৪), জামালপুরের সোলাইমান মিয়া (২১), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আরিফুল ইসলাম (৩৪), বগুড়ার হাটশিপুরের মো. আশিকুল ইসলাম (২৯), পাবনার আতাইকুলার মামুন ইসলাম (২৬), ঝিনাইদহের ছয়াইলের তানভীর রানা (২৪), সাতক্ষীরার তালার জুয়েল শেখ (২৫), পাবনার আতাইকুলার রফিকুল ইসলাম (৩৮), পাবনার সাথিয়ার মো. আবির হোসেন (২০), মাদারীপুরের মেহেদী হাসান মুন্না (২৩) ও টাঙ্গাইলের কোয়েল (২৫)। কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন যশোরের মোল্লাপাড়ার ফাহিম খান ওরফে নীরব (১৭), পাবনার আতাইকোলার মো. মামুন ইসলাম (১৭)। হাজির করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট।
আসামিদের মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে আদালত ১৫ জনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে নেওয়া ১৫ আসামিরা হলেন শীর্ষ নেতা নাটোরের গাও পাড়ার জুয়েল মাহমুদ, সিরাজগঞ্জের পুরাবাড়ির চিকিৎসক সোহেল তানভীর রানা (৩০), কক্সবাজারের রামুর সাদমান আরেফিন ফাহিম (২১), মো. ইমতেজার হাসসাত নাবীব (১৯), গাইবান্ধার চাদপাড়ার রাহাত মন্ডল (২৪), জামালপুরের সোলাইমান মিয়া (২১), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আরিফুল ইসলাম (৩৪), বগুড়ার হাটশিপুরের মো. আশিকুল ইসলাম (২৯), পাবনার আতাইকুলার মামুন ইসলাম (২৬), ঝিনাইদহ.।
এ দিকে রিমান্ড ফেরত চার নারী আসামিকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা হলেন সানজিদা খাতুন, মাইশা ইসলাম, আমেনা ও হাবিবা বিনতে শরীফুল। ৯ জঙ্গির সঙ্গে তাঁদেরকে গত ১৩ আগস্ট পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
তদন্ত কর্মকর্তা দুই দিন আগেই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদেরকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মিরপুর মডেল থানায় গত ১২ আগস্ট শনিবার মামলাটি দায়ের করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
এম সি




