ছবি : সংগৃহীত
জুলাই-আগস্টের ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত নানা কর্মসূচি পালন করবে দলটি।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে আমরা মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করছি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি সার্বজনীন আন্দোলনের মাধ্যমে এই রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে। ফ্যাসিবাদী শাসনের কালো যুগ পেরিয়ে আমরা জাতীয় ঐক্যমতের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।”
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সেদিন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি থাকায় জামায়াতে ইসলামী কোনো কর্মসূচি রাখেনি।
কর্মসূচিতে যা থাকছে
১ জুলাই: গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের স্মরণে দেশব্যাপী দোয়া অনুষ্ঠান।
২–৪ জুলাই: দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ।
৮–১৫ জুলাই: শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে জামায়াত নেতাদের সাক্ষাৎ ও দোয়া।
১৬ জুলাই: রংপুরে শহীদ আবু সাঈদ স্মরণে আলোচনা সভা।
১৯ জুলাই: জামায়াত ঘোষিত ৭ দফা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ; এবং শহীদ পরিবারের আয়োজিত অনুষ্ঠানে জামায়াত আমিরের অংশগ্রহণ।
২০-২৪ জুলাই: জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ও গণ-প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম।
২৫-২৮ জুলাই: জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ওপর ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
২৯-৩০ জুলাই: মহিলা ও ছাত্রীদের উদ্যোগে আলোচনা সভা।
১ আগস্ট: জাতীয় সেমিনার (শহীদ স্মারকের ইংরেজি ও আরবি অনুবাদের মোড়ক উন্মোচন);
১-৩ আগস্ট: ছাত্রদের উদ্যোগে আলোকচিত্র প্রদর্শনী কর্মসূচি।
৫ আগস্ট: দেশব্যাপী গণমিছিল পালন এবং রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে অংশগ্রহণ।
৬-৮ আগস্ট: সাংবাদিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী ও আলেম-ওলামাদের উদ্যোগে আলোচনা সভা।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




