ছবি:সংগৃহীত
আজমিরীগঞ্জের জলসুখায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ আটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শম্ভু দেবনাথের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে দীর্ঘ নয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে রাত ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক শম্ভু দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের সময় বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন। বুধবার এক পর্যায়ে এক ছাত্রী তার অভিভাবকের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। পরবর্তীতে ওই অভিভাবক মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে গেলে, তার স্ত্রী শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে গালাগাল করে বের করে দেন।
পরে ছাত্রীটি স্কুলে এসে ঘটনাটি সহপাঠীদের জানায়। শ্রেণীকক্ষের আরও কয়েকজন ছাত্রীও তার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। মুহূর্তের মধ্যে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে শিক্ষক শম্ভু দেবনাথকে তার নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং বাড়িঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
ঘটনার খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার পুলিশ রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
অভিভাবক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “এই মাস্টার দীর্ঘদিন ধরে এসব জঘন্য কাজ করে আসছিল। ভয়ে কেউ মুখ খুলত না। আজ এক ছাত্রী সাহস করে কথা বলায় সবাই মুখ খুলেছে। আমরা এর কঠোর বিচার চাই।’
এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিভাবক ও স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




