ছবি:সংগৃহীত
মৌলভীবাজার -২ কুলাউড়া আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশে নতুন জাগরণ সৃষ্টি হবে। হাকালুকি হাওর তীরবর্তীর এলাকাসহ দেশের সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে । কৃষির উন্নয়ন এবং পরিবেশগত উন্নতি হবে ।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, কৃষি কাজে সহায়তা এবং মৎস্য চাষের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল খাল বাঁচানোর একটি আন্দোলন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় হাকালুকি হাওর তীরবর্তী এলাকায় দুই কোটি ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি শওকতুল ইসলাম এ কথাগুলো বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে আন ফানাই নদীর চকিরমোড়া এলাকা থেকে উত্তরমুখী আন ফানাই পর্যন্ত খাল খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আনিসুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: জসিম উদ্দিন, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) প্রীতম দাস জয় , উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজু চন্দ্র পাল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জলিল জামাল, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, বহিবির্শ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি ড. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, ভূকশিমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির, বরমচাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খোরশেদ আহমদ খান সুইট, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম রাজু, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ময়দুল ইসলাম আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আহমদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উপজেলা পিআইও কর্মকর্তা রাজু চন্দ্র পাল জানান, উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের বাস্তবায়নে ভুকশিমইল, বরমচাল ও ভাটেরা ইউনিয়নের প্রায় আট কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খনন প্রকল্পে ৩ দশমিক ৯ কিলোমিটার খননের জন্য দুই কোটি ছয় লাখ তিন হাজার ৮০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া পেয়েছে।
প্রকল্পের চেয়ারম্যান ভুকশিমইল ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির জানান, খাল খনন সম্পন্ন হলে বর্ষাকালে এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং হাওর এলাকায় বোরো মৌসুমে কৃষকরা পর্যাপ্ত পানি সুবিধা পাবেন। ফলে অকাল বন্যা প্রতিরোধে খাল খনন কর্মসূচি খুব জরুরি ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার জানান, খাল খননের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে । কৃষির উন্নয়ন এবং পরিবেশগত উন্নতি ও হবে ।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




