২০ বছরেও সংযোগ সড়ক পায়নি সেতু, ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে চলাচল
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ PM

২০ বছরেও সংযোগ সড়ক পায়নি সেতু, ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে চলাচল

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫/০৫/২০২৬ ০৬:২৬:৫৮ PM

২০ বছরেও সংযোগ সড়ক পায়নি সেতু, ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে চলাচল

নিজস্ব


এক পাশে পাকা রাস্তা, অন্য পাশে সরু আঁকাবাঁকা মেঠোপথ। মাঝখানে খালের ওপর দাঁড়িয়ে আছে একটি সেতু। অথচ নির্মাণের ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্যবহারই করা যাচ্ছে না সেতুটি। মানুষের চলাচল না থাকায় সেতুর গায়ে জমেছে শ্যাওলা, রেলিংয়েও দেখা দিয়েছে ভাঙন। এমন দৃশ্য দেখা গেছে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের রূপনগর গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, সেতুটির পাশেই থাকা পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়েই প্রতিদিন যানবাহন ও পথচারীরা চলাচল করছেন। নতুন সেতুর এক পাশে পাকা রাস্তা থাকলেও অন্য পাশে এখনো রয়েছে ধানিজমি, তৈরি হয়নি কোনো সংযোগ সড়ক।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শাহজিবাজার-বাঘাসুরা-ছাতিয়াইন বাজার সড়কের রূপনগর এলাকার খালের ওপর পুরোনো সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্থানীয়দের দাবির মুখে প্রায় ২০ বছর আগে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন সেতুটি নির্মাণ করা হয়।

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো সেতু ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকজন প্রভাবশালী গ্রামবাসীর বাধার কারণে সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। পরে বাজেট ফেরত যাওয়ার আশঙ্কায় পাশেই নতুন সেতু নির্মাণ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এলাকার বাসিন্দা সাইফুর রহমান রাসেল বলেন, “নতুন ব্রিজ চালু না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পাশের পুরোনো ব্রিজ দিয়ে হাজারো মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে ব্রিজটি চালুর দাবি জানাই।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন, “আমি এখানে যোগদানের প্রায় ১৯ বছর আগেই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে। তখনকার প্রকৌশলী কেন পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করেননি, সেটি তিনিই ভালো বলতে পারবেন। শুনেছি, পাশের জমির মালিক জায়গা দিতে রাজি হননি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করব।”

অন্যদিকে জমির মালিক কবির মিয়া বলেন, “আমি কখনো বিনামূল্যে জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেইনি। জমিটি আমার কেনা। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী টাকা দিলে আমি জমি দিতে রাজি আছি।”বাঘাসুরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জোসনা আক্তার বলেন, “মাত্র দুই শতক জমি হলেই সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্ভব। এই জমির মূল্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা হবে। অথচ দুই লাখ টাকার জন্য ১২ লাখ টাকার ব্রিজ অকেজো পড়ে আছে।” তিনি দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

আশ্বাসেও কাটেনি অ/চলাবস্থা, অনড় সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা
প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার সব স্তরের শিকড়- সিসিক প্রশাসক
শিক্ষাকে ধ্বংস করা হয়েছে, পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে : এমপি নাসির উদ্দীন আহমেদ
দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান
আন্দোলনের মধ্যেই সিকৃবিতে ভিসি বদল
সিলেট দেশের প্রথম প্লাস্টিক দূষণমুক্ত শহর হবে - সিসিক প্রশাসক
উ'ত্তাল সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, অ'বরুদ্ধ ১৪ শিক্ষক
সিলেটে হাম সন্দেহে আরেক শিশুর মৃ'ত্যু, নতুন শনাক্ত ১৬ জন
চূড়ান্ত নিয়োগে বাদ জগন্নাথপুরের ৭ শিক্ষক প্রার্থী, বিস্ময়-ক্ষো*ভ-হতাশা
রো*হিঙ্গা সং ক ট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান