ছবি:সংগৃহীত
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আরও বেশি সংখ্যক সুবিধাভোগীকে অন্তর্ভুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। গর্ভবতী নারী, নবজাতক ও নিম্নআয়ের পরিবারের কল্যাণে সরকারের এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে নগরভবনের সভাকক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সিলেটের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির টার্গেট ইন্ডিকেটর ৭.২ (বি) বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা-২০২৪’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজনীন ফেরদাউস মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং প্রোগ্রাম অফিসার শামছুন্নাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার মোছা. নাসিমা খাতুন এবং ডব্লিউএফপির সিলেট ফিল্ড অফিস প্রধান মো. মামুনুর রশীদ।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি দরিদ্র, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, একজন মা নিবন্ধনের পর নির্ধারিত সময় পর্যন্ত এ কর্মসূচির সুবিধা পান। আর্থিক সহায়তার পরিমাণ সীমিত হলেও এটি উপকারভোগী পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এ কর্মসূচিতে নিবন্ধনের সংখ্যা এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। অনেক সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন হচ্ছে না। তাই আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ড কর্মকর্তা, সচিব ও সুপারভাইজারদের সমন্বিত উদ্যোগে লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে আরও বেশি মানুষ এই কর্মসূচির আওতায় আসবে। এতে দরিদ্র পরিবারগুলো উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।
কর্মশালায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




