সংগৃহিত
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরালো হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একাংশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে আন্দোলনকারীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এর আগে থেকেই ভবনে তালা ঝুলছিল। ফলে প্রশাসনিক ভবনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে উপাচার্য অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মেরও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক প্রশাসনিক ও শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।
সোমবার অধ্যাপক ড. এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এবং জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামানের সঞ্চালনায় অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ছিদ্দিকুল ইসলাম, সাদা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সাবেক সভাপতি মাহবুব ইকবাল, আতাউর রহমান ও অধ্যাপক ড. নাজমুল হক।
কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নেওয়ামত উল্লাহ, বাছিত উদ্দিন ও আশফাক আহমেদ।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, আশরাফুল ইসলাম ও গোলাম রাব্বানী।
বক্তারা উপাচার্যকে অবিলম্বে অপসারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
আন্দোলনকারীরা জানান, ২০ সেপ্টেম্বর থেকে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর আগে কয়েকদিন ধরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন তারা। সোমবারও তাদের অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের করা অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ




