বানিয়াচংয়ে পানীয় জলের চরম সং ক ট
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ AM

বানিয়াচংয়ে পানীয় জলের চরম সং ক ট

বানিয়াচং প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৭/০৪/২০২৫ ১০:৫০:৫৮ AM

বানিয়াচংয়ে পানীয় জলের চরম সং ক ট

ছবি: নিজস্ব


বানিয়াচং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের চারটিতেই তীব্র পানি সংকট বিরাজ করছে। ১, ২, ৩, ও ৪ নং ইউনিয়ন নিয়ে গড়ে উঠা পৃথিবীর মহাগ্রাম বা বৃহত্তর গ্রামের প্রতিটি এলাকায় খাবার পানির জন্য হাহাকার চলছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় ভ‚গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে গেছে। প্রচÐ দাবদাহ, খরা, বৃষ্টিহীনতা ও টিউবওয়েলে পানি না ওঠায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। 

সরেজমিন বানিয়াচং উপজেলার সদরের, আমীরখানি, কুতুবখানি, মজলিশপুড়, কামালখানি, নন্দিপাড়া, রায়েরপাড়া, যাত্রাপাশা, জাতিকর্নপাড়া, এলাকা ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশির ভাগ টিউবওয়েলে পানি উঠছে না। 

আমীরখানি এলাকার সামায়ুম মিয়া জানান, তার বাড়িতে প্রায় ৭৫০ ফুটের একটি টিউবওয়েল বসানো হয়েছিল। এক গøাস পানি ওঠাতে এখন অন্তত ৪/৫ মিনিট সময় লাগে। প্রতিবছর ফাল্গুন মাসের মাঝামাঝি থেকে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত থাকে এ সমস্যা। 

মজলিসপুর গ্রামের গৃহবধূ তামান্না আক্তার বলেন, টিউবওয়েল ও মোটর উভয়ে পানি উঠছে না। চরম বেকায়দায় পড়েছি। 

কামালখানির শরিফা বেগম বলেন, আমার বাড়িসহ আশপাশের বাড়িতেও টিউবওয়েলে পানি উঠছে না। যাদের বাড়িতে জল মোটর আছে, তাদের কোনো সমস্যা নেই। পানি না পেয়ে অনেকেই পাশের গভীর নলক‚প থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করছেন। পর্যাপ্ত পানি না পেয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গৃহস্থালি কাজ করতে। 

নন্দিপাড়ার প্রিয়া বেগম বলেন, এ সময়ে প্রতিবছরই টিউবওয়েলে পানি উঠে না। এ কারণে খাবার পানি পেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

যাত্রাপাশা একালার মো. জিতু মিয়া বলেন, তার এলাকায় টিউবওয়েলে পানি না ওঠার কারণে গৃহস্থালি কাজ করতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে গৃহবধূরা। অনেকেই জল মোটর বসাতে বাধ্য হচ্ছেন। 

জাতিকর্ন পাড়ার সজিব মিয়া বলেন, একটি জল মোটর বসাতে মিনিমাম ৪০/৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। এতে সবাই জল মোটর বসাতে পারছেন না। সরকারিভাবে জল মোটরের ব্যবস্থা করা হলে মানুষ খাবার পানি সঠিকভাবে পেতে পারবেন। 

উপজেলার ২নং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তকলিস মিয়া বলেন বিগত সরকারের আমলে পরিকল্পনা হীনভাবে প্রতিটি সরকারি টিওবয়েল ৭০০/৮০০ ফুট বসানো হয়েছে। এজন্য এখন পানির লেয়ার নিচে নেমে যাওয়ায় পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে আমরা এখও কোনো নির্দেশনা পাইছি। আশা করি আগামি মাসিক মিটিয়ে এই বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব সহাকরে সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনা করব। 

বানিয়াচং উপজেলার জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী আলী আজগর বলেন, অনাবৃষ্টির কারণে নদী নালা খালবিল শুকিয়ে যাওয়ায় পানির স্তর নেমে গেছে। তাই টিউবওয়েলে পানি পেতে সমস্যা হচ্ছে। বৃষ্টি বৃদ্ধি হলে এই সমস্যা কেটে যাবে।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

সিলেট থেকে আরও প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে আনা হবে -সিসিক প্রশাসক
আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিকে ঘিরে আদালতে বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের হা/তাহাতি
সিলেটি নারী ও ভাষা নিয়ে শাবি শিক্ষার্থীর মন্তব্য, সমালোচনার ঝড়
সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী: এমপি এস এম ফয়সল
পানি নেই, তবুও পাথর আর সবুজের টানে মায়াবী ঝর্ণায় পর্যটকদের ভিড়
সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে যাচ্ছে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী
প্রবাসীদের জন্য বিশেষ কার্ড করছে সরকার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
সিলেটে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চো'রাচা'লানের পণ্য জ'ব্দ
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আরও শতাধিক