আজমিরীগঞ্জে দুই সড়কের অনুমোদনে আশার আলো
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ PM

আজমিরীগঞ্জে দুই সড়কের অনুমোদনে আশার আলো

আশিকুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫/০৪/২০২৬ ০২:১৯:৪৪ PM

আজমিরীগঞ্জে দুই সড়কের অনুমোদনে আশার আলো


হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের বাসিন্দাদের জন্য অবশেষে এলো স্বস্তির খবর। আজমিরীগঞ্জ-বানিয়াচং আসনের সংসদ সদস্য আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (ডা. জীবন) আনন্দপুর-মাহতাবপুর এবং কাকাইলছেও বাজার-রাহেলা পর্যন্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অনুমোদন করিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরেই এসব সড়কের নির্মাণ ও উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া উপজেলার আরও বেশ কয়েকটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পও অনুমোদনের তালিকায় রয়েছে।

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত কাকাইলছেও ইউনিয়নের মাহতাবপুর-আলীপুর সড়কের বেহাল অবস্থা স্থানীয়দের দুর্ভোগকে চরমে পৌঁছে দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচা রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও কাদার কারণে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর ভাষায়- এটা কোনো রাস্তা নয়, যেন মরণ ফাঁদ।

জানা গেছে, বহু বছর ধরে সড়কটির কোনো ধরনের সংস্কারকাজ হয়নি। বর্ষা মৌসুম এলেই পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়ে। কাদামাটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, এমনকি পথচারীদের চলাচলও হয়ে ওঠে দুরূহ। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষার্থী, রোগী ও কৃষকরা।

স্থানীয়রা জানান, এই সড়ক দিয়েই মাহতাবপুর, আলীপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে জরুরি মুহূর্তে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটছে।

এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুকনো মৌসুমে ধুলা, আর বর্ষায় কাদা, দুই সময়েই এই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য। আমাদের দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই।

কৃষকরাও পড়েছেন চরম বিপাকে। উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে অতিরিক্ত সময় ও খরচ বাড়ছে। ফলে ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

তবে নতুন করে সড়ক অনুমোদনের খবরে আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। একইসঙ্গে মাহতাবপুর-আলীপুর সড়কটিকেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়নের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করে স্থানীয়রা জানান, কাজ বাস্তবায়ন শুরু হলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং জনদুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

জৈন্তা বার্তা/আরআর