নবীগঞ্জে মা*মলা করে বাদী পরিবার আ*তঙ্কে
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০১:৪৪ AM

প্রাণনাশের হু*মকির অভি*যোগ

নবীগঞ্জে মা*মলা করে বাদী পরিবার আ*তঙ্কে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২/০৫/২০২৬ ১২:৩৮:২৯ AM

নবীগঞ্জে মা*মলা করে  বাদী পরিবার আ*তঙ্কে

ছবি:সংগৃহীত


হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের রাইয়াপুর গ্রামে বহুল আলোচিত কৃষক সমসু মিয়ার ওপর নির্মম হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী পরিবার এখন চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। মামলার আসামি ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদীপক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় আহত সমসু মিয়ার ভাই ও মামলার বাদী নজির মিয়া গত ১৯ মে নবীগঞ্জ থানায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১ নভেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যায় গ্রামের একটি খাল বেসরকারিভাবে লিজ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে রাইয়াপুর গ্রামের কৃষক ও পাঁচ সন্তানের জনক সমসু মিয়ার ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের মৃত আলতা মিয়ার ছেলে জুবেদ মিয়া, মৃত ইন্তাজ মিয়ার ছেলে আব্দুল মালিক, কনা দরজির ছেলে ইমদাদুল মিয়াসহ তাদের সহযোগীরা সমসু মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। একপর্যায়ে তাকে মৃত ভেবে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা।

এ ঘটনায় নবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিরা কারাভোগ শেষে জামিনে বের হয়ে বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, গত ১৮ মে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজির মিয়ার সঙ্গে আসামিপক্ষের লোকজনের দেখা হলে তারা মামলা তুলে নেওয়া অথবা আপোষ করার জন্য চাপ দেয়। এতে রাজি না হলে বাদী ও তার পরিবারকে ‘দেখে নেওয়া হবে’ বলে সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়।

এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে পরিবারটি থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে বাধ্য হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গত ২১ মে দুপুরে নবীগঞ্জ থানার এএসআই সেলিম আহমেদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত চলাকালেও আসামিপক্ষের লোকজন বাদী ও গুরুতর অসুস্থ সমসু মিয়াকে গালিগালাজ ও হামলার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, আসামিদের হামলায় গুরুতর আহত সমসু মিয়া দীর্ঘ তিন মাস সিলেটের ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন ছিলেন। এখনো তিনি পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন এবং প্রায় পঙ্গুত্বের মতো অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে এএসআই সেলিম আহমেদ বলেন,  ঘটনাস্থলে কিছু হট্টগোল হয়েছে, তবে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

অন্যদিকে অভিযুক্ত আব্দুল মালিক ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করলেও বাকি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ