সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের ছাতকে আওয়ামী লীগ নেতা ও কথিত বালু ব্যবসায়ী হাজী স্বপন মিয়াকে গণধোলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের তাহির প্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
স্বপন মিয়া দোয়ারাবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং নরসিংপুর ইউনিয়নের সারপিন নগর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্বপন মিয়া একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বসেছিলেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন লোক সেখানে জড়ো হয়ে তাকে অটোরিকশা থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশের উপস্থিতিতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে, পুলিশি নিরাপত্তায় স্বপন মিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সিলেটে নেওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতারা।
ছাতক পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন সুমেন অভিযোগ করে বলেন, “হাজী স্বপনের মাধ্যমে থানার ওসির অবৈধ টাকার ইনকাম হয়। জনতা তাকে আটক করে দিলেও ওসি তাকে ছেড়ে দিয়েছেন।”
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা শুনেছি স্বপন মিয়াকে স্থানীয় লোকজন মারপিট করেছে। তাকে প্রথমে ছাতক উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ




