দক্ষিণ সুরমায় রাসেল হ*ত্যা মা*মলার দুই আ*সামি গ্রে*প্তার ​
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন

দক্ষিণ সুরমায় রাসেল হ*ত্যা মা*মলার দুই আ*সামি গ্রে*প্তার ​

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯/১০/২০২৬ ০২:১৮:৫৬ অপরাহ্ন

দক্ষিণ সুরমায় রাসেল হ*ত্যা মা*মলার দুই আ*সামি গ্রে*প্তার ​

ছবি : সংগৃহীত


সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নে রাসেল আহমদ শাহ হ*ত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৯। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সুনামগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- দক্ষিণ সুরমার আব্দুল মুকিতের ছেলে ইয়াসিন আহমদ ফাহিম (৩৩) এবং আছির মিয়ার ছেলে আব্দুস সামাদ (৩০)। মামলায় তারা যথাক্রমে ৩ ও ৪ নম্বর আসামি।

গত ২ অক্টোবর জুমার নামাজের পর মোগলাবাজার থানাধীন সিলাম চকের বাজার এলাকার শাহ হুমায়ুনের দোকানের সামনে পূর্ববিরোধের জের এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখির বিরোধ নিয়ে আসামিরা রাসেল শাহকে কু*পিয়ে হ*ত্যা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রাসেল শাহ ছিলেন বিরোধের মীমাংসাকারী।

গত রোববার (৪ অক্টোবর) নি*হতের মা মোছা. রাজনা বেগম বাদী হয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) মোগলাবাজার থানায় হ*ত্যা মামলা করেন। বাদীর পক্ষে তাঁর দেবর সুমন শাহ এজাহারটি থানায় জমা দিলে পুলিশ তা নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। মামলাটিতে ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় মোগলাবাজার থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজীব পালকে।

মামলার আসামিরা হলেন- সিলাম শেখপাড়ার ফজলু মিয়া (৫৫), আবেদ রাজা (৫৫), রনি (৩৫), তানিম আহমদ (২৪), সুমন আলী (৩৪), শহিদ আলী (২৮), কামরান (২৪), মাহবুব (২০), জুবায়ের আহমদ জুবের (২২), রাফি (২০), সালমান (২৫), আহমদুর রহমান সাদেক (৪০), মাছুম (২৫), মহিম (২২), রাজু মিয়া (৫৪), মজাহিদ আলী (৩৭), আলী রুবেল (৩৩), গুলি সুয়েব (৫৫); সিলাম নয়াপাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৫২) এবং চান্দাই বনু টিলার উজ্জ্বল মিয়া (৩৫)।

হ*ত্যাকাণ্ডের পর নি*হতের আত্মীয়-স্বজন এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা স্থানীয় মাজারের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখির কারণেই রাসেলকে হ*ত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করেন এবং তাতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের লোকজন জড়িত বলে তারা অভিযোগ করেন। যদিও সংসদ সদস্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজীব পাল জানান, ঘটনার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। সুনামগঞ্জ থেকে এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জৈন্তাবার্তা/আরআর