ছবি:সংগৃহীত
গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণ, ফ্যাসিবাদ নির্মূল এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগরের বন্দরবাজার জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
মহানগর জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নিজামুদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালেক চৌধুরী।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জমিয়তের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খলিলুর রহমান, মহানগর শাখার সহসভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা মুখতার আহমদ, দক্ষিণ জেলা শাখার সহসভাপতি মাওলানা আব্দুল মুসাব্বির যামডরী, মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুল ও হাফিজ আহমদ সগির আমকোনী।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হোসাইন আহমদ, সহসম্পাদক মাওলানা মুফতি মতিউর রহমান চৌধুরী, সৈয়দ সালিম কাসেমী, উত্তর জেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া কয়েস, শ্রমিক জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা হাফিজ মাহমুদুল হাসানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
সমাবেশে নেতারা বলেন, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর দেশে নির্বাচিত সংসদ প্রতিষ্ঠিত হলেও সরকারের গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সংসদে কার্যকর ভূমিকা দৃশ্যমান নয়। জনগণের পক্ষে কথা বলা এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সংসদকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
সরকারের উদ্দেশে তাঁরা বলেন, জনগণের ক্ষোভ ও আকাঙ্ক্ষা বিবেচনায় নিয়ে দ্রব্যমূল্য এবং তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথায় জনগণের ক্ষোভ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের ওপর গুরুত্বারোপ করে নেতারা বলেন, এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে উন্নয়নের সব উদ্যোগ ব্যর্থ হবে। তাই দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
ফ্যাসিবাদ প্রসঙ্গে তাঁরা বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার করতে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো বিভিন্ন স্থানে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তাদের তৎপরতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
নেতারা আরও বলেন, পাড়া-মহল্লা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস, দখলদারত্ব ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ও আপসহীন ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




