ফাইল ছবি
শিগগিরই বিতর্কে নামবেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। সব ঠিক থাকলে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বিতর্কে নামবেন দুজন।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সাবেক প্রার্থী জো বাইডেনের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বিতর্ক করাই কাল হয়েছিল। বাজে পারফরম্যান্স দিয়ে তাকে সরে দঁাড়াতে হয় নির্বাচনি দৌড় থেকে। ট্রাম্প বরাবরই নিজ প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিতর্কে তুলাধোনা করে থাকেন। ধারণা করা হচ্ছে, এবারও মারমুখী অবস্থানেই দেখা যাবে তাকে। তবে কমলা হ্যারিসও জানিয়েছেন, তিনি আত্মবিশ্বাসী।
কমলা রানিং মেট হিসেবে মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজকে বেছে নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পকে সেভাবে আর বাইরে প্রচারে দেখা যায়নি। তবে তিনি মাঝে একবার কমলা হ্যারিস কৃষ্ণাঙ্গ না-কি ভারতীয়, সে প্রশ্ন তুলেছিলেন। পরে তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এরই মধ্যে ট্রাম্প বিতর্ককে সামনে রেখে নতুন করে কমলা হ্যারিসকে নিয়ে নানা মন্তব্য করা শুরু করেছেন। গত বৃহস্পতিবার মার-আ-লাগোতে এক সংবাদ সম্মেলনে হ্যারিসের বুদ্ধিমত্তাকে বাইডেনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘তার (বাইডেন) মতো বুদ্ধিদ্দীপ্ত নয় সে (কমলা)। আমি তাকেও (বাইডেন) যে খুব বেশি একটা বুদ্ধিমান মনে করি তা নয়। আমি তার মেধার ভক্ত নই।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন বলছে, কমলা হ্যারিসের জন্য বিতর্কটি কঠিন পরীক্ষা হয়ে দঁাড়াবে। কারণ হ্যারিসের বিতর্কের মিশ্র রেকর্ড রয়েছে। অতীতে কিছু বিতর্কে তিনি ভালো করেছেন। আবার কিছু বিতর্কে তাকে কষ্ট করতে হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালেও বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে দেখা গেছে হ্যারিসকে। তবে অনেক বিশেষজ্ঞই বলছেন, গত চার বছরে বেশ উন্নতি হয়েছে হ্যারিসের।
বিতর্কের ব্যাপারে অবশ্য আত্মবিশ্বাসী কমলা হ্যারিস। ডেট্রয়টে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি খুশি যে সে অবশেষে ১০ সেপ্টেম্বর বিতর্কের জন্য রাজি হয়েছে। আমি এটির জন্য অপেক্ষা করছি এবং আশা করছি যে তিনি উপস্থিত হবেন।’
এর আগে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, বাইডেনের নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া ট্রাম্পের জন্য কাল হয়ে দঁাড়াতে পারে। কারণ ট্রাম্পের প্রচার শিবির বাইডেনকে ঘিরে নিজেদের সব প্রস্তুতি নিয়েছে। বাইডেন সরে নতুন কেউ এলে আবারও ট্রাম্পকে নিজের আক্রমণ সাজাতে হবে, এমন মন্তব্যও করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে ট্রাম্পও সাম্প্রতিক সময়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন নিজের অবস্থান নিয়ে। তিনি জানিয়েছেন, কৌশল পাল্টানোর কোনো প্রয়োজন নেই। খোলা সীমান্ত ও অভিবাসীসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়গুলো নিয়েও নতুন করে অভিযোগ করেন সাবেক মার্কিন এ প্রেসিডেন্ট।
জৈন্তা বার্তা / টিটু




