ছবি:সংগৃহীত
জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচেও ড্র করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। ব্যাট হাতে হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেন আশিকুর রহমান শিবলি ও জাকের আলী অনিক। তাদের দৃঢ়তায় ম্যাচে হার এড়ায় স্বাগতিকরা।
এর আগে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচে ফলোঅনের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে শিবলি ও জাকেরের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচও শেষ হয় ড্র দিয়ে।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার (২৭ জুন) চতুর্থ দিন ৮ উইকেটে ২০০ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। তবে আগের দিনের সংগ্রহের সঙ্গে মাত্র ২ রান যোগ করেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২০২ রানে।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন জিম্বাবুয়ের ডানহাতি অফ স্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা। তার বলে কভারের ওপর দিয়ে খেলতে গিয়ে জোনাথন ক্যাম্পবেলের হাতে ক্যাচ দেন শাহাদাত হোসেন দিপু। ৫৬ বলে ২২ রান করেন তিনি।
তিন নম্বরে নামা ইফতেখার হোসেন ইফতি সুবিধা করতে পারেননি। কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এছাড়া প্রিতম কুমার ও আফিফ হোসেনও ব্যর্থ হন।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন জাকের আলী অনিক। দ্বিতীয় ইনিংসেও দলের হাল ধরেন তিনি। ৯৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করা জাকের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ১০২ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলে।
তাকে সঙ্গ দেন আশিকুর রহমান শিবলি। তার ব্যাট থেকেও আসে গুরুত্বপূর্ণ হাফ সেঞ্চুরি। শিবলি ও জাকেরের ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৭০ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে। জিম্বাবুয়ের হয়ে ভিনসেন্ট মাসেকেসা নেন ৪ উইকেট।
ম্যাচ শেষে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার তুলে দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিসিবির পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান এবং জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক গডনে কাসওয়া।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




